২০ জুন টাঙ্গাইলের সুবিধাভোগীদের ঘর হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন হবে

139

হাসান সিকদার ॥
মুজিববর্ষ উপলক্ষে টাঙ্গাইলের সকল উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার, ঘর নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে পুরোদমে। দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে নির্মাণাধীন ঘরগুলো। ফাঁকা জায়গায় মনোরম পরিবেশে লাল টিনের ছাউনিতে দৃশ্যমান ঘরগুলো দেখতে সুন্দর এবং এইসব বাড়ী দেখে ভূমিহীন পরিবারগুলোর মনের আনন্দ যেন ধরে না। জেলা প্রশাসন সুত্র জানিয়েছে, রোববার (২০ জুন) ২য় ধাপে সরকারী উদ্যোগে নির্মিত ঘর এবং ব্যাক্তি উদ্যোগে নির্মিত ২২টি ঘর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুবিধাভোগীদের মাঝে হস্তান্তর কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।
“আশ্রয়নের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার” প্রতিপাদ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর আওয়াতায় টাঙ্গাইলের ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের স্বপ্ন পুরনের লক্ষ্যে এগিয়ে চলছে সেমিপাকা ঘর নির্মান কাজ। মুজিব শতবর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না। প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে ঘর নির্মানের কাজ। ঘর নির্মাণ কাজ চলা অবস্থায় বরাদ্দ পাওয়া ভূমিহীন পরিবারের সদস্যরা এসে উৎসবের আমেজ নিয়ে বসে থাকছেন প্রকল্প এলাকায়। তাদের চোখে মুখে একটাই স্বপ্ন, তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার নতুন ঘরের মালিক হতে যাচ্ছেন। শুরু করতে যাচ্ছেন শান্তিতে বসবাসের নতুন জীবন। যা তাদের কাছে স্বপ্নের মতো। লাল টিনের ছাউনি এগুলো একটু একটু করে উকি দিচ্ছে, আর গৃহহীন মানুষগুলোর মুখে ফুটে উঠছে হাসির ঝিলিক। নির্মিত এই বাস গৃহে থাকছে আধুনিক সকল সুযোগ সুবিধা। বিনামূল্যে মাথাগোঁজার এই পাকা ঘর পেয়ে খুশি হতদরিদ্র পরিবারগুলি। তারা প্রান ভরে দোয়া করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য।
গৃহহীনদের জন্য ঘর নির্মান কাজ কঠোরভাবে দেখভালো করছেন জেলা প্রশাসক। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গণি টিনিউজকে জানান, জেলার ১২টি উপজেলায় প্রথম ধাপে ১১৭৪টি ঘর প্রধানমন্ত্রী হস্তান্তর করেছেন। সেখানে দরিদ্র মানুষগুলো সুখে বসবাস করছেন। ২য় ধাপে জেলায় ১১৩০ টি ঘর বরাদ্দ হয়। এর মধ্যে ৭৪৮টি ঘরের নির্মান কাজ শেষ হয়েছে। ২য় ধাপে সরকারী উদ্যোগে নির্মিত ঘর এবং ব্যাক্তি উদ্যোগে নির্মিত ২২টি ঘর রোববার (২০ জুন) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুবিধাভোগীদের মাঝে হস্তান্তর কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। পর্যায়ক্রমে সকল গৃহহীনকেই করে দেয়া হবে বাস গৃহ এমনটাই জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
যারা ঘর পাচ্ছেন তাদের অনেকেই অনেক পেশার সাথে যুক্ত আছেন। কিন্তু তাদের ভূমি ছিল না। ঘর ছিল না। তারা অসহায়ভাবে জীবন যাপন করতেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ঋণ প্রদানসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজের মাধ্যমে তাদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার সব সময় তাদের পাশে থাকবে।

 

ব্রেকিং নিউজঃ