সখীপুরে দুই ইউনিয়নে ডাক্তার আছে- ভবন নেই ॥ সেবা পেতে দুর্ভোগ

49

স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার দুই ইউনিয়নে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কোনো ভবন নেই। ফলে দুই ইউনিয়নের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা অফিস করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এতে চিকিৎসাসেবা পেতে দুর্ভোগ পোহান স্থানীয়রা।
তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রুহুল আমীন মুকুল টিনিউজকে বলেন, ওই দুটি ইউনিয়নে ভালো মানের কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে, সেখানে মানুষ সেবা পাচ্ছে। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভবন থাকলে সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে ওই এলাকার মানুষের আরও সুবিধা হতো। ইতিমধ্যে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।




জানা গেছে, উপজেলার যাদবপুর ও হাতীবান্ধা ইউনিয়নে লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। অন্য ইউনিয়নের মতো ওই দুটি ইউনিয়নের স্বাস্থ্য কেন্দ্রের জন্য চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য সহকারী রয়েছেন। এর মধ্যে যাদবপুর ইউনিয়নে চিকিৎসক হিসেবে আছেন শারমিন সেলিম জ্যোতি ও স্বাস্থ্য সহকারী (এসএসিএমও) মোস্তফা কামাল। অন্যদিকে হাতীবান্ধা ইউনিয়নে চিকিৎসক হিসেবে আছেন শামীমা আক্তার ও স্বাস্থ্য সহকারী রাশিদা আক্তার। বর্তমানে তাঁরা সবাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন।
হতেয়া গ্রামের বাসিন্দা স্বপন আহমেদ টিনিউজকে বলেন, আমাদের ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কোনো ভবন নেই। এ কারণে ছোটখাটো শারীরিক সমস্যা হলেই উপজেলা সদরের হাসপাতালে যেতে হয়। এতে বিশেষ করে প্রসূতিদের খুব কষ্ট হয়। হাতীবান্ধা ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক শামীমা আক্তার টিনিউজকে বলেন, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসকের দায়িত্ব পালন করছি। কিন্তু সেবা দিচ্ছি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সরকারিভাবে ভবন হলেই আমরা আমাদের নির্ধারিত কর্মস্থলে যেতে পারব।




যাদবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এ কে এম আতিকুর রহমান আতোয়ার টিনিউজকে বলেন, ডাক্তার আছে- ভবন নেই। এটা মেনে নিতে কষ্ট হয়। ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া কষ্টকর হয়ে যায়। ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভবন থাকলে এবং সেখানে নিয়মিত ডাক্তার বসলে সাধারণ মানুষের কষ্ট কমে যাবে।




ব্রেকিং নিউজঃ