সখীপুরের কালিয়ানের গোলাপকে পিটিয়েছে দুর্বৃত্তরা

125

স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বহেড়াতৈল ইউনিয়নের কালিয়ান এলাকার শামসুল আলমের ছেলে জহিরুল ইসলাম গোলাপ (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে পরিকল্পিতভাবে প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে রড ও লাঠি সোটা দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে এলাকার চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা। গত সোমবার (১৭ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে কালিয়ান বাজারে ও পরবর্তীতে কালিয়ান বাজারের উত্তর পাশে হাফিজের মুদির দোকানের পাশে দুই দফায় এ ঘটনাটি ঘটে। জানা যায়, আহত জহিরুল ইসলাম গোলাপের উপর তারা অতর্কিত হামলা করে গুরুতর আহত করে এবং তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তার ডাকচিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। পরে বাজার থেকে ফেরার পথে বাজারের উত্তর পাশে হাফিজের মুদির দোকানের কাছে দ্বিতীয় দফায় আবার এলোপাতাড়ি মারধর করে। লোকজন তাকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন এবং পরে পরিবারের লোকজন আহত গোলাপকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। আহতের ডান চোখের পাশে সেলাইসহ শরীরে অসংখ্য স্থানে জখম রয়েছে।
আহত গোলাপের বাবা শামসুল আলম বাদী হয়ে গত (১৮ জনুয়ারি) সখীপুর থানায় ফেরদৌস, নুরুল ইসলাম ওরফে নুরু, মোজাম্মেল ওরফে মুজা ও রিপন নামের ৪ জনকে আসামি করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। আহত জহিরুল ইসলাম গোলাপ টিনিউজকে বলেন, কালিয়ান বাজারে থাকাকালীন হঠাৎ করে ৪-৫জন লোক এসে আমার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু করে এবং আমাকে রড ও লাঠি সোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। প্রথমে স্থানীয় লোকজন আসলে পরিবেশ স্বাভাবিক হয় এবং পরবর্তীতে আমি বাড়ি ফেরার পথে বাজারের উত্তরপাশে আমাকে দ্বিতীয় দফায় বেধড়ক মারধর করে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ বিষয়ে বহেড়াতৈল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওয়াদুদ হোসেন টিনিউজকে বলেন, ঘটনার সূত্রপাত আমার জানা নেই, তবে যাই ঘটুক মারামারির বিষয়টি নিঃসন্দেহে নিন্দনীয়। আহত গোলাপকে দেখতে বেশকয়েকবার আমি হাসপাতালে গিয়েছি এবং আহতের অবস্থা দেখে মর্মাহত হয়েছি। প্রকৃত দোষীদের অবশ্যই শাস্তি হওয়া উচিত।
এ ব্যাপারে সখীপুর থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিন টিনিউজকে বলেন, লিখিত অভিযোগ হাতে পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ