লকডাউনের মধ্যেও টাঙ্গাইলের মার্কেটগুলোতে প্রচন্ড ভিড়

112

হাসান সিকদার ॥
টাঙ্গাইলে চলমান লকডাউনের মধ্যে দোকানপাট শপিংমল মার্কেট বিপণিবিতান ও ফ্যাশন হাউসগুলোতে উপচেপড়া ভিড় বাড়ছে। বৈশাখের প্রচন্ড তাপদাহকে উপেক্ষা করে ঈদের কেনাকাটার জন্য মার্কেটে আসছেন ক্রেতারা। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলে বেচাকেনা। তবে করোনা আতঙ্ক হওয়ার কারণে জমছে না ঈদের কেনাকাটা, এমনটি বলছেন ব্যবসায়ীরা। অথচ ব্যবসায়ীদের এমন কথার কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি মার্কেটগুলোতে। প্রতিটি মার্কেটে মানুষের প্রচন্ড ভিড়। করোনার এই ভয়াবহতার মধ্যেও চুটিয়ে ব্যবসা করছেন ব্যবসায়ীরা। বরঞ্চ করোনার অজুহাত দিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা অধিক মূল্যে ক্রেতাদের কাছে পণ্য বিক্রি করছেন। প্রতিটি মূল্য আর্থিকভাবে সচ্ছল ও শৌখিন ক্রেতারাই ছাড়াও সকলেই ঈদের কেনাকাটায় শামিল হচ্ছেন। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে সামনের দিনগুলোতে কেনাকাটা বাড়বে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
দেখা গেছে, টাঙ্গাইলের সব মার্কেট ও দোকানপাট সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চালু রাখা হচ্ছে। বেশিরভাগ মার্কেট কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কর্মকান্ড চালানোর কথা থাকলেও তা তারা মানছে না। এছাড়া করোনা আতঙ্কে সাধারণ মানুষও মাস্ক ও প্রয়োজনীয় স্যানিটাইজার ব্যবহার করছেন কম। কিন্তু কেনাকাটা জমিয়ে করছেন। ইতোমধ্যে লকডাউনের সময়সীমা রয়েছে আগামী (৫ মে) পর্যন্ত। লকডাউনের এই সময় দোকানপাট চালু থাকলেও গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। সবমিলিয়ে এবারের ঈদ বাণিজ্য নিয়ে চুটিয়ে করছেন ব্যবসায়ীরা। ঈদের বেচাবিক্রির জন্য গত (২৫ এপ্রিল) থেকে দোকানপাট, মার্কেট, শপিংমল, বিপণিবিতান ও ফ্যাশন হাউসগুলো খুলে দেয়া হয়েছে। দিন যতই যাচ্ছে বেচাবিক্রি ততই বাড়ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। টাঙ্গাইলের ব্যস্ত মার্কেটগুলোর ব্যবসায়ীরা টিনিউজকে বলেন, রোববার (২ মে) দিনব্যাপী অনেক ক্রেতারা মার্কেটে আসছেন। সারাদিনে ভালই বেচাবিক্রি হচ্ছে। ঈদ সামনে রেখে এই সময়টাতে দম ফেলার সুযোগ থাকে না ব্যবসায়ীদের।
জানা গেছে, প্রচন্ড তাপদাহের মধ্যেও ক্রেতারা ঘর থেকে বের হচ্ছে। এর পাশাপাশি করোনা সংক্রমণের আতঙ্ক বিরাজ করছে টাঙ্গাইলবাসীর মধ্যে। গত কয়েক দশকের মধ্যে টাঙ্গাইলের তাপমাত্রা এখন সবচেয়ে বেশি। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া রোজা রেখে কেউ বাইরে বের হতে সাহস পায় না। এরপরেও মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় ও বেচাবিক্রি চলছে পুরোদমে। হীরা মার্কেটে ঈদের শপিং করতে এসেছেন হুগড়া ইউনিয়নের রাবেয়া আক্তার। তিনি টিনিউজকে বলেন, একদিকে করোনা অন্যদিকে প্রচন্ড গরম। এ মধ্যেও ঘর থেকে বের হয়ে কেনাকাটা করতে হচ্ছে। একান্ত প্রয়োজনে ঈদ সামনে রেখে কিছু কেনাকাটা করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না, তারপরও ঈদ মার্কেট বলে কথা। মার্কেটের ব্যবসায়ীরা টিনিউজকে জানান, কেনাকাটার জন্য ক্রেতারা ভিড় করছেন। সারাদিনই ভাল বেচাবিক্রি হচ্ছে।

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ