মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা ‘চার্জশিট দিতে আরো তদন্ত প্রয়োজন’

70

c662e307aa433d6ca73e70aaaa09f2c4-Untitled-4ফাহাদ শাওনঃ
আগামী বছরের ১৮ জানুয়ারি দুই বছর পূর্ণ হবে জেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যাকান্ডের। এরই মধ্যে হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন হয়েছে। চিহ্নিত হয়েছে হত্যাকারীরা। এরই মধ্যে একাধিক আসামী গ্রেফতার হয়েছে ডিবি পুলিশের হাতে। ইতিমধ্যে কয়েকজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। অথচ হত্যাকান্ডের প্রায় দুই বছর পাড় হতে চললেও চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার চার্জশিট এখনও দেয়া হয়নি। আরো তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় জোরালো তথ্য প্রমাণ পাওয়ার পরই চার্জশিট দেয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ সূত্র টিনিউজকে জানায়, গত বছরের ১১ আগষ্ট রাজাকে এবং গত ২৪ আগষ্ট মোহাম্মদ আলীকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের কয়েক দফা রিমান্ডে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি  দেন। আদালতের কাছে দেয়া জবানবন্দিতে রাজা ও আলী জানান, হত্যাকান্ড সংঘটিত হওয়ার অন্তত এক মাস আগে চার ভাই (রানা, মুক্তি, কাকন ও বাপ্পা) মিলে ফারুক আহমেদকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। টাঙ্গাইলের প্রভাবশালী আওয়ামী লীগের নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যাকান্ডে খান পরিবারের চার ভাই জড়িত থাকার তথ্য বেরিয়ে আসার পরপরই তারা আতœগোপনে চলে যান।
পুলিশ আরও টিনিউজকে জানায়, ফারুক হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার, ঘটনার পর রক্ত পরিস্কার সহ অন্যান্য আলামত নষ্ট করা, অন্যান্য প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য প্রমানের স্বার্থে এবং মামলার সুষ্ঠ তদন্তের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করতেই এমপি আমানুর রহমান খান রানা, তার অপর তিন ভাই ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাকে গ্রেফতার অভিযান চলছে।

ব্রেকিং নিউজঃ