মির্জাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শ্রেণি কক্ষের স্বল্পতায় বিঘ্নিত হচ্ছে পাঠদান

181

478545মির্জাপুর প্রতিনিধিঃ
শিক্ষক ও শ্রেণি কক্ষের স্বল্পতার কারণে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌর সদরের একমাত্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া বিঘ্নিত হচ্ছে বলে জানা গেছে। পুরনো এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে অত্র এলাকায় নারী শিক্ষা প্রসার ঘটলেও পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ ও অবকাঠামোসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি পায়নি।
জানা গেছে, মির্জাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৯৭৩ সালে উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন বাইমহাটি মৌজায় প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার পর অত্র অঞ্চলের কমপক্ষে অর্ধশত গ্রামের মেয়েরা শিক্ষার সুযোগ পায় এখানে। বর্তমানে এই নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে এসএসসি সাধারণ শাখা ও ভোকেশনাল শাখাসহ ১৬৯৭ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। এছাড়া নতুন বছরে ষষ্ঠ শ্রেণিতে আরও ৪শ ছাত্রী ভর্তি করা হবে। শিক্ষার্থীদের চাপের কারণে চারটি শাখায় পাঠদান করা হয়। কিন্ত বিদ্যালয়টি শিক্ষক ও শ্রেণি কক্ষ স্বল্পতাসহ নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত। শিক্ষার্থীর সংখ্যানুযায়ী বিদ্যালয়টিতে শিক্ষক থাকার কথা ৫০ জন। কিন্ত বর্তমানে নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ২২ জন ও প্যারা শিক্ষক রয়েছেন ৩ জন।
এছাড়া বিদ্যালয়টিতে শ্রেণি কক্ষের প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক শ্রেণি কক্ষ ও বেঞ্চ নেই বলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জানা গেছে। শ্রেণি কক্ষে গাদাগাদি করে ক্লাস নেয়া হয় বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছে। নারী শিক্ষার প্রসার ও উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে গেলেও বিদ্যালয়টির তেমন উন্নয়ন ঘটেনি। এতে শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা মনক্ষুন্ন বলে জানা গেছে।
নারী শিক্ষায় ভূমিকা রাখায় বিদ্যালয়টি ২০০৪ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে জাতীয় পুরস্কার ও ২০১৪ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে উদ্দীপনা পুরস্কারও পেয়েছে।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুলতান উদ্দিনের সঙ্গে কথা হলে তিনি শিক্ষক ও শ্রেণি কক্ষ স্বল্পতার কথা উল্লেখ করে বলেন, জরুরী ভিত্তিতে বিদ্যালয়টিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ ও অবকাঠামোর উন্নয়ন করা প্রয়োজন।

ব্রেকিং নিউজঃ