মির্জাপুরে স্কুল চলাকালীন সময়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বরণ অনুষ্ঠান

173

স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বিদ্যালয় চলাকালীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার হায়দারের বরণ ও মতবিনিময় সভায় যোগদান করলেন। বিদ্যালয় চলাকালীন প্রধানগণ তাদের অফিস ও দায়িত্ব বাদ দিয়ে বুধবার (১৯ অক্টোবর) বেলা সাড়ে এগারোটায় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার ভবনে এই বরণ অনুষ্ঠানের যোগদান করেন। এ নিয়ে সাধারণ শিক্ষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।


(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

জানা গেছে, মির্জাপুর উপজেলায় ৫১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৬টি কলেজ ও ১৪টি মাদরাসা রয়েছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর জুলফিকার হায়দার মির্জাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের ব্যানারে এই বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদরাসার প্রধানগণ তাদের অফিস ও দায়িত্ব বাদ দিয়ে এই বরণ অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার আলীর উদ্যোগে বরণ ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হলেও ব্যানারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের আয়োজক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি সাধারণ শিক্ষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে বলে জানা গেছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার প্রবীর কুমার চৌধুরীর সভাপতিত্বে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার হায়দার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি এমরান হোসেন, বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি ও দেওহাটা এ জে উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খোরশেদ আলম, মির্জাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুলতান উদ্দিন, ভারতেশ্বরী হোমসের অধ্যক্ষ ত্রয়ি বড়–য়া, বংশাই স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেন, বাঁশতৈল খলিলুর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ ফাইজুল ইসলাম, মির্জাপুর সরকারি এস কে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম খান, গায়রাবেতিল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোশারফ হোসেন, ছিটমামুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন ও বানিয়ারা দাখিল মাদরাসার সুপার আব্দুল্লাহ তালুকদার প্রমুখ বক্তৃতা করেন।


(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রধান শিক্ষক জানান, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার হায়দার তার উদ্যোগে বরণ ও মতবিনিময় সভার সকল প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। কিন্তু ব্যানারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ উল্লেখ করেছেন। বিদ্যালয় চলাকালীন তিনি এটি করতে পারেন না। বিষয়টি খুবই দু:খজনক।
দেওহাটা এ জে উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খোরশেদ আলম জানান, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে বরণ ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছিল। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

মির্জাপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার হায়দারের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নিয়ে মতবিনিময় সভা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা বরণ কথাটিও উল্লেখ করেছিলো। বিদ্যালয় চলাকালীন অফিস ও দায়িত্ব বাদ দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ বরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন বিদ্যালয় বন্ধ থাকলে তারা আসবেন কিভাবে।

 

ব্রেকিং নিউজঃ