মির্জাপুরে ভূয়া সনদে কলেজে ১১ বছর চাকুরি করার অভিযোগ

104

oniyom-durnitiমির্জাপুর সংবাদদাতাঃ
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় ভূয়া সনদ দিয়ে কলেজের লাইব্রেরিয়ান হিসেবে ১১বছর চাকুরি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জলিয়াতির মাধ্যমে চাকুরি নিয়ে সরকারের অর্থ আত্মসাতের এ অভিযোগ পাওয়া গেছে উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের নতুন কহেলা কলেজের লাইব্রেরিয়ান আব্দুস সালাম খন্দকারের নামে। এ ঘটনা জানাজানির পর কর্মস্থল থেকে আব্দুস সালাম খন্দকার গাঁ-ঢাকা পড়েছেন বলে জানা গেছে। ভূয়া সনদ দিয়ে চাকুরি করা আব্দুস সালাম খন্দকারের বাড়ি নওগাঁ জেলায়।
কলেজ সূত্র জানান, প্রায় একযুগ আগে উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের নতুন কহেলা কলেজে আব্দুস সালাম খন্দকার লাইব্রেরিয়ান হিসেবে চাকুরিতে যোগদান করেন। এরপর ২০০৪ সালে তার চাকুরি এমপিওভুক্ত হয়। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস তার ভূয়া সনদ দিয়ে চাকুরি করার বিষয়টি জানার পর কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও অফিস সহকারিদের লাইব্রেরিয়ান আব্দুস সালাম খন্দকারের বেতন ভাতা বন্ধের নির্দেশ দেন। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও অফিস সহকারিগণ নির্দেশ পাওয়ার পরও লাইব্রেরিয়ান আব্দুস সালাম খন্দকারের সরকারি বেতন ভাতা উত্তোলনে সহযোগিতা করেন।
এদিকে সালাম খন্দকার সর্বশেষ সেপ্টেম্বর মাসে সরকারি বেতন ভাতা নিয়ে চাকুির থেকে সটকে পড়েন। পরবর্তীতে কলেজ পরিচালনা পরিষদের ৫ সদস্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুম আহমেদ ভূয়া সনদ দিয়ে চাকুরি করার বিষয়টি তদন্ত করেন।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুম আহমেদ বলেন, যেহেতু লাইব্রেরিয়ান আব্দুস সালাম খন্দকার চাকুরি ছেড়ে চলে গেছেন। তাই সনদ জালিয়াতির বিষয়ে খোঁজ নেয়া হয়নি। তবে দীর্ঘদিন চাকুরির করার সময় অবৈধ ছুটি ভোগ করে আর্থিক সুবিধা নেয়ার বিষয়ে সত্যতা পাওয়ায় তদন্ত প্রতিবেদনে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ব্রেকিং নিউজঃ