মির্জাপুরে বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়িতে ফাঁস দিয়ে আসামীর আত্মহত্যা

136

স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ি হাজতে লেবু মিয়া নামে এক আসামী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তার পিতার নাম বাহার উদ্দিন। গ্রামের বাড়ি বাঁশতৈল গ্রামে। মির্জাপুর থানার অপিসার ইনচার্জ শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে লেবুর পরিবার অভিযোগ করেছে, তাকে বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাকাওয়াত হোসেনসহ পুলিশ সদস্যরা নির্যাতন করে মেরে ফেলেছে। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য লাশ আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবী জানিয়েছেন।

 

জানা গেছে, সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ১৩ নং বাঁশতৈল ইউনিয়নের বাঁশতৈল পশ্চিমপাড়া গ্রামে সখিনা বেগমের নিজ ঘর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। সখিনা বেগমের সাবেক স্বামীর নাম মফিজ উদ্দিন। গত ৮-১০ বছর পুর্বে স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হলে বাঁশতৈল পশ্চিমপাড়া গ্রামে বাড়ি নির্মান করে এক ছেলে ও দুই মেয়ে নিয়ে সখিনা বেগম বসবাস করতেন। এক ছেলে মালেশিয়া প্রবাসি। তার দুই মেয়ে বিয়ে হয়ে যাওয়ায় ছেলের বৌ নিয়ে বাড়িতে থাকতেন। গত দুই তিন দিন পুর্বে ছেলের বৌ তার বাবার বাড়ি যান।

এই সুযোগে রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে দুষ্কৃতকারীরা তার ঘরে ঢুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে বাহিরে তালা ঝূঁলিয়ে চলে যায়। সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর পর্যন্ত সখিনা বেগমের সন্ধান না পেয়ে আশপাশের লোকজনের সন্দেহ হয়। পুলিশকে খবর দিলে বাড়িতে গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ সাবেক স্বামী মফিজ উদ্দিন এবং লেবু মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে আসে। ভোর পাঁচটার দিকে পুলিশ ফাঁড়ি হাজতে লেবু মিয়া গলায় ফাঁস দিয়ে আতœহত্যা করে। পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

 

ব্রেকিং নিউজঃ