মির্জাপুরে গৃহবধু হত্যা মামলায় প্রথম স্বামীর স্বীকারোক্তি

68

স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গৃহবধু আনোয়ারা বেগম (২৭) হত্যা মামলায় প্রথম স্বামী পলাশ মিয়া জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট শামছুল আলম তার জবানবন্দী রেকর্ড করেন। বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম স্থানীয় সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।


(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

গত রবিবার (১৬ অক্টোবর) রাতে মামরার তদন্তকারী কর্মকর্তা মির্জাপুর থানার উপপরিদর্র্শক (এসআই) জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে স্ত্রী হত্যার দায়ে পলাশ মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। পলাশ ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার মানকোন ইউনিয়নের বাদেমাজিয়া গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে।

জানা গেছে, আনোয়ারা ও তাঁর প্রথম স্বামী পলাশ মিয়া সাত বছরের শিশুপুত্র আশিককে নিয়ে সংসার করছিলেন। তাঁদের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় ৫ মাস পূর্বে আনোয়ারা পলাশকে তালাক দেন। পরবর্তীতে গত ১৬ জুলাই ঘাটাইল উপজেলার মুরাইদ গ্রামের মফিজ উদ্দিন মোড়লের ছেলে মোফাজ্জল হোসেন মোয়াজকে বিবাহ করেন তিনি। আনোয়ারা বেগম মির্জাপুর উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের হাটুভাঙ্গা বাজার সংলগ্ন সহিদের বাড়িতে স্বামী ও সাত বছরের শিশুপুত্র আশিককে নিয়ে ভাড়া থাকতেন। স্বামী মোয়াজ নিজ এলাকায় কাজ করতেন এবং মাঝে মধ্যে স্ত্রীর কাছে আসতেন।


(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

এদিকে প্রাক্তন স্বামী পলাশও আনোয়ারার সঙ্গে যোগাযোগ ও সম্পর্ক রক্ষা করতেন। গত ১১ অক্টোবর রাতে শিশুপুত্র আশিককে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন আনোয়ারা। গভীর রাতে প্রাক্তন স্বামী পলাশ আনোয়ারার দরজায় ধাক্কা দিলে আনোয়ারা দরজা খুলে দেন। রাতে তাঁরা দৈহিক মেলামেশাও করেন। পলাশকে তালাক দেয়ার কারণে ক্ষুব্দ হয়ে ওই ঘরের ভেতর আনোয়ারাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করেন বলে সে স্বীকারোক্তিতে বিচারককে জানিয়েছেন। পুলিশ এ তথ্যও সাংবাদিকদের জানান।

এ ঘটনায় আনোয়ারার বড় ভাই আবুল হোসেন বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় মামলা করেন।

ব্রেকিং নিউজঃ