মাভাবিপ্রবি ড্রাইভারের স্ত্রীর আত্মহত্যা

130

মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি ॥
টাঙ্গাইল মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র ড্রাইভার জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী পান্না বেগম (৩২) ৩য়-৪র্থ শ্রেণী স্টাফ কোয়ার্টারে ফ্যানের সাথে ঝুলে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। বুধবার (১৬ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ঝলুন্ত অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে।
জানা যায়, জাহিদুল ইসলাম তার স্ত্রী, এক ছেলে এবং এক মেয়েকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা সন্তোষের ৩য়-৪র্থ শ্রেণী স্টাফ কোয়ার্টারের ৪র্থ তলার দক্ষিণ-পূর্ব ফ্লাটে বসবাস করতেন। মঙ্গলবার (১৫ মে) সন্ধ্যায় জাহিদুলের সাথে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়। জাহিদুল রাগ করে টাঙ্গাইল শহরের সাবালিয়ায় তার বোন রাজিয়ার বাসায় রাত যাপন করে। এদিকে তার স্ত্রী পান্না মেয়ে এবং ছেলেকে পাশের রুমে ঘুমাতে বলে। পান্না অন্যরুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। রাতে মেয়ে প্রীয়ন্তি (১১) তার ছোট ভাই তালহাকে (৬) নিয়ে মাকে ডাকাডাকি করে। কোন সারা না পেয়ে তারা মনে করে মা ঘুমিয়ে গেছে এবং তারাও ঘুমিয়ে যায়। পরদিন বুধবার (১৬ মে) সকালে আবারও ডাকাডকি করে সারা শব্দ না পেয়ে তারা প্রতিবেশীদের জানায়। প্রতিবেশী শাহীনুর ইসলাম, ফয়জুদ্দীন এবং আব্দুল মালেক দরজা ভেঙে পান্নাকে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মৃত পান্না বেগম টাঙ্গাইল বাসাইল উপজেলার ফুলকী ঝনঝনিয়া গ্রামের হবিবুর রহমান মেয়ে। তার স্বামী জাহিদুল ইসলাম টাঙ্গাইল শহরের সাবালিয়া এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে।
এ বিষয়ে কাগমারী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আরিফ ফয়সাল টিনিউজকে বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা ধারনা করছি এটা আত্মহত্যা। লাশের ময়নাতদন্ত রিপোর্টের পর আমরা আরও তথ্য জানাতে পারব।

ব্রেকিং নিউজঃ