মহাসড়কে মোটরসাইকেল নিষেধের প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে স্মারকলিপি প্রদান

133

স্টাফ রিপোর্টার ॥
দেশব্যাপী ঈদ উপলক্ষে মোটরসাইকেল চলাচলের বিধিনিষেধ অপসারণের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা
গ্রহণের উদ্দেশ্যে টাঙ্গাইলে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা। সোমবার (৪ জুলাই) বিকেলে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব, বিভিন্ন বাইকার গ্রুপ ও মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা একত্রে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলামের কাছে এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।

 

স্মারকলিপিতে মোটরসাইকলে ব্যবহারকারী জানান, মোটরসাইকেল আমাদের দৈনন্দিন জীবনে একটি অপরিহার্য বাহন যা আর্থ সামাজিক উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এছাড়াও মোটরসাইকেল আমাদের প্রত্যাহিক জীবন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে তরুণ পেশাজীবীদের জন্য মোটরসাইকেল চলাচলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়া করোনা কালীন সময়ে মোটসাইকেলের ব্যবহার ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে যা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে করোনা প্রতিরোধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। বর্তমানে করোনা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং করোনা মোকাবিলায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে মোটরসাইকেল একটি অপরিহার্য বাহন।

সাধারণত প্রতি ঈদেই লাখো মানুষ পরিবার পরিজনের সাথে ঈদ উদযাপন করতে ঘরমুখী হয়ে থাকে, যদিও আমাদের যোগযোগ ও সাধারণ পরিবহন ব্যাবস্থার অপ্রতুলতার কারণে ঈদ যাত্রা কষ্টদায়ক হয়ে থাকে সেইজন্য অনেকেই তার নিজস্ব পরিবহন ব্যবহার করে থাকে তার মাঝে মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীর সংখ্যা অধিক। কিন্তু উক্ত বিধিনিষেদের কারণে এই ঈদে লাখো মোটরসাইকেল ব্যাবহারকারী তার পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করতে সমস্যার সম্মুখীন হবেন।
হেলমেট এবং আনুষাঙ্গিক নিরাপত্তা উপকরণ ব্যবহার করে এবং ট্রাফিক নিয়মকানুন মেনে চললে
সড়কে দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে। বিধিনিষেধটি পুনর্বিবেচনা করে যথার্থ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অনুরোধ করেন মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা। এই বিধিনিষেধের কারণে ঈদ যাত্রায় মোটরসাইকেল আরোহীদের চলাচলের একটি বিঘ্নতা সৃষ্টি হয়েছে। যেটি সারাদেশের মোটরসাইকেল ব্যাবহারকারীদের মাঝে একটি বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।

উল্লেখ্য, রবিবার (৩ জুলাই) সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে যে, আগামী ৭ জুলাই থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত যৌক্তিক কারণ ছাড়া মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলাচলের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

 

ব্রেকিং নিউজঃ