রবিবার, সেপ্টেম্বর 20, 2020
Home বিনোদন মধুপুরের ফরিদা ফারহানার সুনাম ও সফলতা

মধুপুরের ফরিদা ফারহানার সুনাম ও সফলতা

সাইফুল ইসলাম, মধুপুর ॥
টাঙ্গাইলের মধুপুরে (১৭ জুলাই) জন্মগ্রহণ করেন ফরিদা ফারহানা। তাঁর স্কুল জীবন থেকেই ছড়া, কবিতা লেখার প্রতি অনেক ঝোঁক ছিল, সেই সাথে ছিল বাবা মোহাম্মদ ফরহাদের উৎসাহ।
টাঙ্গাইলের স্থানীয় একটি পত্রিকাতে প্রথম কবিতা প্রকাশিত হলে কিশোরী বয়সেই ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত হন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় সাহিত্যে তার সাফল্যের প্রথম ধাপ অর্জিত হয় বিগত ২০১০ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ “স্বপ্ন অথবা ভালবাসা”। আর ওই সময়েই তিনি পাবলিক লাইব্রেরী ঢাকা কর্তৃক বাংলা সাহিত্যে “রকি পুরস্কারে” ভূষিত হন। সাহিত্যের অনাড়ম্বর জীবনে তার পদচিহ্ন ধীরে ধীরে আত্নপ্রকাশ করা শুরু করে। বাংলা একাডেমীতে তার লেখা অনেক কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। আকাশী রঙের মন (২০১৩), অ্যালকেমি (২০১৭), হৃদয়ের সেতুবন্ধন (২০১৭), সিক্ত রসায়নে দ্রোহ (২০১৮), বিচ্যুত রসায়নে সুরভি (২০১৯) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
তিনি পাবলিক হেলথ বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রী সম্পন্ন করে রাজধানী ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে কর্মরত আছেন। এছাড়াও সমাজকর্মী হিসাবেও ফরিদা ফারহানার পরিচিতি রয়েছে।
ফরিদা ফারহানার জন্মস্থান টাঙ্গাইলের মধুপুরে ‘আলোকিত মধুপুর’ নামে একটি সংগঠনের সাথে জড়িত হয়ে নারী শিক্ষা, নারী জাগরণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে ব্যাপক ভূমিকা রাখছেন তিনি। একইসাথে বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়নে ‘রেশ ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সামাজিক সংস্থার সহ-সভাপতি হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন ফরিদা ফারহানা।
ফরিদা ফারহানা জানান, “আমি ছোট বেলা থেকেই লেখালেখি করি। আমার বাড়ি পাহাড়ি এলাকায়। ছোট থেকেই দেখেছি অনিয়ম আর নারীদের প্রতি অবহেলা। আমার সেখান থেকেই শুরু হয়েছে সাহিত্যের শাখায় পদার্পণ। সুন্দর সুন্দর গান, কবিতার মাধ্যমে সুন্দর আগামী দিনগুলো কাটাতে চাই। সকলেই দোয়া করবেন।”
এ পর্যন্ত ফরিদা ফারহানা ৩ হাজারের অধিক কবিতা লিখেছেন। আর সেই সাথে বিগত ২০০২ সাল থেকে গান লিখতে শুরু করেছেন। বর্তমানে ফরিদা ফারহানা রচিত বিভিন্ন বরেণ্য কণ্ঠশিল্পীদের কণ্ঠে রেকর্ডকৃত গান রেডিও, টিভি ও অ্যালবামের মাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে।

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ