মওলানা ভাসানীর ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে জাতীয় পার্টি কাজী জাফরের শ্রদ্ধা

56

স্টাফ রিপোর্টার ॥
মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী (১৭ নভেম্বর) যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। ১৯৭৬ সালের এই দিনে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (তৎকালীন পিজি হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। টাঙ্গাইলের সন্তোষে মাওলানা ভাসানীকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলের সন্তোষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
কর্মসূচির মধ্যে ছিল সন্তোষে মওলানা ভাসানীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিল। এছাড়াও স্থানীয় প্রশাসন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) কৃষক শ্রমিক জনতা লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পৃথক পৃথক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) গ্রুপের ঢাকার কেন্দ্রীয় ও টাঙ্গাইল জেলার নেতৃবৃন্দ সকালে মাজার প্রাঙ্গণে এসে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। সেখানে নেতৃবৃন্দ ভাসানীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে মোনাজাত করেন।
উল্লেখ্য, বিগত ১৮৮০ সালের (১২ ডিসেম্বর) সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে এই মহান নেতার জন্ম হয়। সিরাজগঞ্জে জন্ম হলেও মওলানা ভাসানী তার জীবনের অধিকাংশ সময় কাটিয়েছেন সন্তোষে। তিনি কৈশোর-যৌবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবেও ছিলেন তিনি। মওলানা ভাসানী মানুষের কাছে ‘মজলুম জননেতা’ হিসাবে সমধিক পরিচিত। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায়ও তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। রাজনৈতিক জীবনের বেশিরভাগ সময়ই বাম ধারার রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি।

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ