ভূঞাপুর উপজেলা চেয়ারম্যানসহ আওয়ামী লীগের ৫ নেতাকে বহিস্কার

95

thভুঞাপুর সংবাদদাতাঃ
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আহবায়ক এ্যাডভোকেট আব্দুল হালিমসহ উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রথম সারির ৫ নেতাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও ভূঞাপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মাসুদুল হক মাসুদের পক্ষে কাজ না করে প্রত্যক্ষভাবে বিরোধীতা করায় তাদেরকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়।
শুক্রবার রাতে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের স্বাক্ষরিত চিঠিতে ভূঞাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আহবায়ক আব্দুল হালিম এ্যাডভোকেট, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক আমিরুল ইসলাম তালুকদার বিদ্যুৎ ও অপর যুগ্ম আহবায়ক মিনহাজ উদ্দিনকে বহিস্কার করা হয়। এছাড়া তাদের আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক পরিচয়সহ দলীয় সকল পরিচয় প্রদান থেকে বিরত থাকারও নির্দেশ দেয়া হয়। এর আগে দল মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে মেয়র পদে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় গত ১৪ ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক আজহারুল ইসলাম ও  পৌর কমিটির আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম চঞ্চলকে বহিস্কার করা হয়। টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের বহিস্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা সাহিনুল ইসলাম তরফদার বাদল, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রাজ্জাক মিঞাসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকর্মীরা জানান, গত উপজেলা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পান এ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম। এ সময় মাসুদুল হক মাসুদের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতাকর্মীরা ভেদাভেদ ভুলে দলীয় প্রার্থী আব্দুল হালিম এ্যাডভোকেটের পক্ষে কাজ করে। আসন্ন পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পান মাসুদুল হক মাসুদ। কিন্তু দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মেয়র পদে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক আজহারুল ইসলাম ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম চঞ্চল। উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম,  আমিরুল ইসলাম তালুকদার বিদ্যুৎ ও মিনহাজ উদ্দিন দল মনোনীত প্রার্থী মাসুদুল হক মাসুদের পক্ষে কাজ না করে প্রত্যক্ষভাবে বিরোধীতা করছেন। এতে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে স্পষ্ট বিভক্তির সৃষ্টি হয়েছে। যা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর জন্য বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে।

ব্রেকিং নিউজঃ