ভূঞাপুরে বিয়ের প্রলোভনে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ ॥ ধর্ষককে আটক

129

নাসির উদ্দিন, ভূঞাপুর ॥
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ৫ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে হুমায়ুন (২৮) নামক এক সন্তানের জনক। সে উপজেলার বিলচাপড়া গ্রামের মিনহাজ উদ্দিনের ছেলে।
ছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, হুমায়ুনের ফুফুর বাড়ি ওই ধর্ষিতার পাশের বাড়ি। আত্মীয়তার সূত্রে হুমায়ুনের যাতায়াতের এক পর্যায়ে ওই ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরই ধারাবাহিকতায় হুমায়ুন গত (২৪ অক্টোবর) ওই ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি থেকে স্বর্ণাংকার ও নগদ টাকা পয়সা যা আছে তা নিয়ে পালিয়ে আসতে বলে। তার কথা মতো মেয়েটি বাড়িতে রাখা গরু বিক্রির এক লাখ টাকা নিয়ে হুমায়ুনের সাথে পালিয়ে জেলার ঘাটাইল উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নের গৌরিশ্বর গ্রামের হুমায়ুনের এক আত্মীয় বাড়ি উঠেন। সেখানে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেয়। এলাকাবাসীর কাছে সন্দেহ হলে তাদেরকে আটকিয়ে রেখে ঘাটাইল থানা পুলিশে খবর দেয়। পরে উভয়কে গত (২৭ অক্টোবর) ঘাটাইল থানা পুলিশ আটক করে।
ছাত্রীর মা জানান, আমাদের কোন ছেলে নেই, একটি মাত্র মেয়ে। ওর বাবা বাড়িতে না থাকায় আমি ছাগল চরাতে যাই। বাড়িতে এসে দেখি আমার মেয়েও নেই এবং ঘরে রাখা এক লাখ টাকাও নেই। পরে মেয়েকে অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পাওয়ায় হুমায়ুনের প্রতি সন্দেহ হয়। হুমায়ুনের ফুফু এবং ফুফাকে টাকাসহ আমার মেয়েকে এনে দিতে বললে তারা অস্বীকার করে। পরে জানতে পারি পুলিশ ওদেরকে আটক করেছে। আমি এর উচিৎ বিচার চাই।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ আজহারুল ইসলাম টিনিউজকে জানান, এ বিষয়ে এলাকাবাসী সংবাদ দিলে ওই স্কুল ছাত্রী ও ধর্ষক হুমায়ুনকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তারা স্বামী-স্ত্রী না। এ বিষয়ে ধর্ষণ ও নারী শিশু নির্যাতন আইনে মামলা হয়েছে। বুধবার (২৭ অক্টোবর) আসামিকে কোর্টে এবং ভিক্টিমকে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল পাঠানো হয়েছে।

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ