বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় আরও একজনের সাক্ষ্য গ্রহণ

419

আদালত সংবাদদাতা ॥
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় এক পুলিশ কনস্টেবল আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে তিনি সাক্ষ্য দেন। ওই কনস্টেবলের নাম মামুনুর রশীদ। তিনি এই হত্যা মামলার জব্দ তালিকার সাক্ষী। এর আগে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা শেষ হয়।
সাক্ষ্য দেওয়ার সময় মামুনুর রশীদ আদালতে বলেন, ফারুক আহমেদের লাশের ময়নাতদন্তের সময় তাঁর দেহ থেকে একটি গুলি উদ্ধার করা হয়। তিনি সেই গুলি থানায় নিয়ে গিয়েছিলেন। গুলি ছাড়াও মামলার বিভিন্ন আলামত তাঁর সামনেই জব্দ করা হয়। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে তাঁকে আসামি ও বাদীপক্ষের আইনজীবীরা জেরা করেন।
এ সময় মামলার কারাবন্দী আসামি টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি এবং জামিনে থাকা আসামি সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, বিগত ২০১৩ সালের (১৮ জানুয়ারি) টাঙ্গাইল শহরের কলেজপাড়া থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে বিগত ২০১৪ সালের আগস্টে আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দু’জনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর গ্রেপ্তার দু’জন আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ হত্যাকান্ডের সঙ্গে সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, তাঁর তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা জড়িত বলে জানান।

 

ব্রেকিং নিউজঃ