বিটেক ছাত্রী হোস্টেলে ফেয়ারওয়েল অনুষ্ঠিত

99

1বিটেক সংবাদদাতাঃ
জমকালো আয়োজনে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (বিটেক) এর ছাত্রী হোস্টেলে ফেয়ারওয়েল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিটেক ৫ম ব্যাচের (২০১১-২০১২ সেশন) শিক্ষার্থীদের (ছাত্রী) বিদায় উপলক্ষ্যে ১ম, ২য় ও ৩য় বর্ষের ছাত্রীরা এই প্রোগ্রামের আয়োজন করে।
সোমবার সন্ধ্যায় ছাত্রী হোস্টেলে এই প্রোগ্রাম শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন বিটেক প্রিন্সিপাল ড. ইঞ্জিঃ আতাউল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিটেক প্রধান ছাড়াও ছাত্রী হল সুপারিন্টেনডেন্ট ও বিটেকের কোর্স কো-অর্ডিনেটর সেলিম মিয়া,  লেকচারার কবীর হোসেন পাটোয়ারী এবং ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট আব্দুল কাদের উপস্থিত ছিলেন । শুরুতে আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন শিক্ষার্থীরা। এরপর বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করেন শিক্ষকবৃন্দ। ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী সারা বিনতে মাহমুদ এবং ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী নুরিস্তা পারভীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী খাদিজা আক্তার জুলফা।
প্রিন্সিপাল ড. ইঞ্জিঃ আতাউল ইসলাম সমাপনী বক্তব্যে বলেন, “রীতি অনুযায়ী বিদায় অনুষ্ঠান হয় ঠিকই কিন্তু এটাই শেষ বিদায় নয়। সব বাধা-বিপত্তি দূর করে এখন থেকেই জীবনটা গড়তে হবে তোমাদের। তিনি ছাত্রীদের দেশ ও জাতির সেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।” তিনি আরও বলেন, “অনেকের ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে যে, মেয়েরা টেক্সটাইল সেক্টরের মতো হার্ড একটা সেক্টরে এসে খুব বেশী দূর এগুতে পারে না। কিন্তু মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে এই সেক্টরের অনেক মেয়েই আজ উচ্চ শিখরে অবস্থান করছেন। দেশ ও সমাজের সেবা করে চলেছেন। ডিসেম্বরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে নিয়ে বৃহৎ পরিসরে বিদায় অনুষ্ঠান করার ঘোষণা দেন বিটেক প্রিন্সিপাল।”
বিদায়ী বর্ষের শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার মিরা তাঁর বক্তব্যে পুরনো দিনগুলোর স্মৃতিচারণসহ পানির সমস্যা, ছাত্রীহলের নামকরনসহ বেশ কিছু দাবি জানান। শিক্ষকবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে বিভিন্ন দিক নির্দেশনামূলক কথা এবং কর্মক্ষেত্রে নারীদের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। বিদায়ী বর্ষের শিক্ষার্থী খাদিজা খাতুন কুসুম বলেন, “ক্যাম্পাসে চারটা বছর কাটালাম। সময় যে এতো তাড়াতাড়ি চলে গেল বুঝতেই পারিনি। খুব মিস করবো এই ক্যাম্পাসকে, মিস করবো বন্ধুদের।” ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী আঁখি পাটোয়ারী বলেন, “বড় আপুদের যে স্নেহ ও দিক নির্দেশনা পেয়েছি তা ভোলার নয়। তারা ক্যাম্পাস ও হোস্টেল ছেড়ে চলে যাবে ভাবতেই কষ্ট লাগছে। তারা যেন জীবনে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছুতে পারে এই কামনা করি।”

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ