বাসাইলে পৌষ সংক্রান্তি মেলা অনুষ্ঠিত

60

অর্নব আল আমিন, বাসাইল ॥
পৌষ মাসের শেষের দিন বাঙালি সংস্কৃতিতে একটি বিশেষ উৎসবের দিন। বাঙালির সংস্কৃতিতে বারো মাসে তেরো পার্বণের একটি পার্বণ হলো পৌষ সংক্রান্তি। গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী পৌষ সংক্রান্তি মেলা যুগ যুগ ধরে পালিত হচ্ছে। পৌষ মাসের শেষের দিন টাঙ্গাইলের বাসাইলে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব পৌষ সংক্রান্তি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।




রোববার (১৫ জানুয়ারি) দিনব্যাপী বাসাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাসুলিয়া (চাপড়াবিল) সৌন্দর্যের রানি হিজল গাছের আঙিনায় পালিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী পৌষ সংক্রান্তি মেলা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাজারো দর্শনার্থীদের ভিড়ে মিলন মেলায় পরিণত হয় চাপড়াবিলের মাঝখানে দাড়িয়ে থাকা শত বছরের সিদ্ধেশ্বরী হিজল গাছটির আঙিনায়। নারী পুরুষ আর শিশু-কিশোরের ভিড়ে কোলাহল মূখর হয়ে পরে মেলা প্রাঙ্গণ। হাজারো মানুষের ঢল নামে এই মেলাতে।




গ্রামীন জনপদের এই মেলায় বসে বাতাসা, দই মিষ্টির দোকান, ভাজা পেয়াজো, চানাচুর, বাদাম, মাটির তৈজষপত্র, বাঁশ বেতের তৈজষপত্র, চটপটির দোকান, শীতের বস্ত্রের দোকান। মেলায় আসা ক্রেতারা কিনেছে তাদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তৈজষপত্র।
মেলায় ঘুরতে আসা সজিব সূত্রধর বলেন, প্রতি বছর এই মেলা পৌষ মাসের শেষের দিন অনুষ্ঠিত হয়। অনেক মানুষ এই মেলায় আসে। আমিও বন্ধুদের সাথে নিয়ে এসেছি। বাসুলিয়া (চাপড়াবিল) হিজল গাছের আঙিনায় এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়।




মেলায় ঘুরতে আসা প্রদীপ সরকার বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব পৌষ সংক্রান্তি মেলা। বাসুলিয়ার হিজল গাছের আঙিনায় যুগ যুগ ধরে এই মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ছোট সময় দাদার সাথে মেলায় আসতাম আর এখন পরিবারকে সাথে নিয়ে মেলায় ঘুরতে এসেছি।




বাসাইল সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গৌরাঙ্গ সূত্রধর জানান, এই মেলা যুগ যুগ ধরে পালিত হচ্ছে। ছোট সময় থেকে দেখতেছি চাপড়াবিলের হিজল গাছের আঙিনায় পৌষ সংক্রান্তি মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এই মেলা পৌষ মাসের শেষের দিন হয়। আমার বাপ-দাদারা এই পৌষ সংক্রান্তি মেলার আয়োজন করেছে। এখন আমরা এই মেলার আয়োজন করে থাকি। মেলা দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে অনেক মানুষ আসেন। আনুষ্ঠানিক ভাবে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয় না। এই মেলা পৌষ মাসের শেষের দিন হয়ে থাকে।

ব্রেকিং নিউজঃ