শনিবার, আগস্ট 8, 2020
Home টাঙ্গাইল বাসাইল বাসাইলে এক বাড়ি লকডাউন ঘোষনা করেছে স্থানীয় প্রশাসন

বাসাইলে এক বাড়ি লকডাউন ঘোষনা করেছে স্থানীয় প্রশাসন

এনায়েত করিম বিজয়, বাসাইল ॥
টাঙ্গাইলের বাসাইলে জ্বর-কাশি নিয়ে হানিফ খান (৩৫) নামের এক ব্যক্তি ঢাকা থেকে বাড়িতে ফেরায় করোনা সন্দেহে বাড়িটি লকডাউন করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) বিকালে উপজেলার বাথুলীসাদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফজলে এলাহী এ লকডাউনের ঘোষণা দেন। হানিফ খান ওই গ্রামের মৃত দৌলত খানের ছেলে। হানিফ খান হাজীপুরের কাশিমপুর সর্দারগঞ্জ এলাকায় মুদি দোকানদারী এবং তার স্ত্রী লাকী বেগম একটি সুতার ফ্যাক্টরিতে কাজ করেন। ওই পরিবারে ৮জন সদস্য রয়েছে।
এদিকে টাঙ্গাইলে বিভিন্ন উপজেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে বিদেশ ফেরত ৩৯ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত মোট কোয়ারেন্টাইনে থাকার মানুষের সংখ্যা দাড়াঁলো ৪২৮ জনে। এছাড়া নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ায় ১২৯৬ জন হোম কোয়ারেন্টিন থেকে মুক্ত হয়েছেন। টাঙ্গাইলে একটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়া এক যুবক এখন সুস্থ আছেন। জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ তাদেরকে পর্যবেক্ষণ করছেন।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ওয়াহীদুজ্জামান টিনিউজকে বলেন, জেলায় মোট ১ হাজার ৭২৪ জন বিদেশ ফেরতকে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছিল। এর মধ্যে নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ায় ১ হাজার ২৯৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইন থেকে অবমুক্ত করা হয়েছে। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিরা চীন, ইতালী, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, দুবাই, ভারত, ওমান, আমেরিকা, ইরাক, কাতার এবং বাহরাইন ফেরত প্রবাসী।
জানা যায়, হানিফ খান জ্বর-কাশি নিয়ে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ঢাকা থেকে সখীপুর উপজেলার রতনপুর গ্রামে তার শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে হানিফ তার স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বাসাইল উপজেলার বাথুলীসাদী তার নিজ বাড়িতে উঠেন। সেখানেও স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফজলে এলাহী মেডিক্যাল টিম নিয়ে ওই বাড়িতে হাজিন হন। মেডিক্যাল টিমের পরামর্শক্রমে এসিল্যান্ড ওই বাড়িটি লকডাউনের ঘোষণা দেন।
বাসাইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফজলে এলাহী টিনিউজকে বলেন, হানিফ তার স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে ঢাকা থেকে বাড়িতে ফিরেন। তার জ্বর-কাশি থাকায় স্থানীয়রা প্রশাসনকে খবর দেয়। পরে মেডিক্যাল টিম নিয়ে ওই বাড়িতে গিয়ে লোকটির জ্বর-কাশি দেখা যায়। সন্দেহ হওয়ায় ওই বাড়িটি লকডাউন করা হয়েছে। ওই পরিবারের ১৪ দিনের খাবারের ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মির্জা রাজিককে ব্যাবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

ব্রেকিং নিউজঃ