প্রধানমন্ত্রীর ঘর পেলেন মধুপুরের সেই আদিবাসী বাসন্তী

85

আব্দুল্লাহ আবু এহসান, ধনবাড়ী ॥
অবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার পাকা সরকারি ঘর পেলেন টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়ের আলোচিত গারো আদিবাসী নারী বাসন্তী রেমা (৪৫)। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মধুপুর বনভূমি জবর দখল উচ্ছেদের অংশ হিসেবে শোলাকুড়ি ইউনিয়নের পেগামারী গ্রামের গারো নারী বাসন্তী রেমার ৪০ শতাংশ জমির কলাবাগান কেটে ফেলে বন বিভাগ।
এ ঘটনায় স্থানীয় গারো সম্প্রাদায়ের লোকেরা আন্দোলনসহ নানা কর্মসূচিতে উত্তাল করে তোলে। গারোদের সেই আন্দোলনকে থামাতে উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থলে গিয়ে চেষ্টা চালায়। এই সময় মধুপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফা জহুরা ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যস্থতায় ও ক্ষতিপূরণে সহায়তার আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা আন্দোলন থেকে সরে আসে। পরে উপজেলা পরিষদ, ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসন থেকে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফা জহুরা সরকারি ঘর বরাদ্দের আশ্বাস দেন। যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে সে প্রতিশ্রুত প্রধানমন্ত্রীর উপহারের পাকা ঘর বাসন্তী রেমার নামে বরাদ্দ হয়। পেগামারী গ্রামে সেই ঘরের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফা জহুরা। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম.এ করিম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রাজিব আল রানা, ইউপি চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন, মধুপুর প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান।
ইউএনও’র মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে খুশি বাসন্তী রেমা টিনিউজকে জানান, এতোদিন মাটির ঘরে ছিলাম। পাকা ঘরে বসবাস করার সুযোগ স্বপ্নেও ভাবিনি। প্রধানমন্ত্রীর উপহার এ ঘর প্রাপ্তির সুযোগ করে দেয়ার জন্য ইউএনও এবং সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
এ বিষয়ে মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফা জহুরা টিনিউজকে জানান, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে বাসন্তী রেমার কলাবাগান কেটে ফেলায় তার বড় ধরনের ক্ষতি হয়। সেই ক্ষতি পুষিয়ে দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাকা ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়।

 

ব্রেকিং নিউজঃ