প্রধানমন্ত্রীর ঘর পাওয়া টাঙ্গাইলের দাইন্যার গৃহহীন পরিবারগুলো সুখে আছেন

119

স্টাফ রিপোর্টার ॥
অনেক সুখ আর শান্তিতে বসবাস করছেন প্রধানমন্ত্রীর ঘর পাওয়া দাইন্যার গৃহহীন পরিবারগুলো। এরই মধ্যে অনেক পরিবারের ভাগ্যও খুলেছে মাথা গোজার ওই ঠাঁইটুকু পেয়ে। এক সময় যারা ছিল গৃহহীন, এখন তাদের অনেকেই সন্তানের উপার্জনের টাকায় গড়তে সক্ষম হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ঘরের পাশে একাধিক ঘর। এমনটা হয়েছে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের চরফতেপুর গ্রামে। উপকারভোগীরা অস্বীকার করলেও গুঞ্জন আর অভিযোগ উঠেছে ঘর বিতরণে টাকা নেয়ার।
জানা যায়, বিগত ২০১৬-১৭ সালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের চরফতেপুর গ্রামের ৮টি গৃহহীন পরিবার পান প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘর। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘর পাওয়া চরফতেপুর গ্রামের শিউলী আক্তার (৫০) টিনিউজকে বলেন, আমার স্বামী একজন সিএনজি চালক। দীর্ঘদিন ছিলনা আমাদের মাথা গোজার মত কোন ঘর। গত চার বছর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া ঘর হয় আমাদের মাথার জোগার ঠাঁই। এখন আমার ছেলে চাকুরী করায় ওই ঘরের পাশেই নতুন একটি ঘর দেয়ার সুযোগ হয়েছে। নতুন করে আরো একটি ঘর দেয়ার কাজ শুরু করেছি। যতদিন বেঁচে থাকবো আমরা প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করবো। ঘর পেতে তাদের কোন টাকা লাগেনি বলেও জানান তিনি। বিধবা সুফিয়া বেগম (৪৮) টিনিউজকে বলেন, কৃষি কাজ করতেন আমার স্বামী। অনেক কষ্ট করছি। ঘর না থাকায় ছাপড়ায় থাকছি আমরা। গত চার বছর আগে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘরটি পাই। সেই ঘরেই বসবাস আমাগো। আমার পোলা কৃষি কাজ কৈইরা নতুন কৈইরা একটা ঘর দিছে। আমি ওই ঘরে থাকি আর আমার পোলা বউ নিয়া থাকে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘরটিতে। গৃহহীন রিক্সা চালক আনোয়ারের বোন আকলিমা (৩২) টিনিউজকে বলেন, আমার ভাই রিক্সা চালাইয়া খায়। ঘর বাড়ি না থাকায় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘরটি চেয়ারম্যান তারে দিছে। এহন বউ বাচ্চা নিয়া ওই ঘরে থাকতাছে ওরা।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান লাবলু মিয়া টিনিউজকে বলেন, সামনেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। এ সুযোগ নিয়ে একটি মহল তার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘরে টাকা নেয়া হয়েছে এটিও প্রচার করছেন তারা। তিনি জানান, এ ইউনিয়নে তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন আমার বড়ভাই মরহুম রফিকুল ইসলাম ফারুক। এ মহলের ছত্রছায়ায় হত্যার শিকার হয়েছেন তিনি। এরপর টানা দুইবার এ ইউনিয়নবাসির ভোটেই নির্বাচিত চেয়ারম্যান হয়েছি আমি। এখন ওই মহল আমাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র চালানোসহ নির্বাচনে পরাজিত করতে নানা ধরণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতোপূর্বে আমার আরেকভাইকে কুপিয়েও পঙ্গু করেছেন ওই মহলের সন্ত্রাসীরা। এ কারণে আর নিরাপত্তা চেয়ে থানায় একাধিক জিডি করেছি আমি।

 

 

 

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ