পৌষের কনকনে শীতে স্থবির কালিহাতীর জনজীবন

76

সোহেল রানা, কালিহাতী ॥
সোনা রোদ ঢেকে থাকে সকালের কুয়াশায়। দুপুর যেন ঝলমলে সকাল। বিকেলের দিকেই
কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় চারপাশ। কয়েকদিন আগেও দেখা যেত এমন দৃশ্য। পৌষের মধ্যেই চলছে শৈত্যপ্রবাহ। ফলে টানা দুদিন সূর্যের দেখা নেই টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে। কনকনে শীতের হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে এখানকার মানুষ। স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ ও শিশুরা।




তীব্র শীতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে মানুষের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে। মোটা জ্যাকেট, মাফলার ঢেকে মানুষজনকে জবুথবু হয়ে পথ চলতে এবং পথের ধারে আগুন জ্বালিয়ে আগুন তাপাতেও দেখা যায়। হাড় কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বের হননি অনেকেই। খুব সকালে ক্ষেতে প্রতিদিনের মতো চাষীদেরও দেখা মেলেনি। বেশি দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলোকে।




বিকেলের দিকে শীতের প্রকোপ দেখা দেয় বেশি। রোদ পড়ে যাওয়ায় সৃষ্টি হয় অসহ্য শীতের কাঁপুনি। রাস্তায় রিকশা, অটোরিকশা কম থাকায় অফিসে যাওয়া এবং অফিস থেকে ঘরে ফেরা মানুষগুলোর অনেকেই ধীর পায়ে হেঁটে ঘরে ফিরতে দেখা যায়। এদিকে টানা ২ দিনের এ শীতে শিশু এবং বৃদ্ধরা পড়েছে সবচেয়ে বেশি বিপদে। নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে তারা। বাসটার্মিনাল অফিস আদালতের বারান্দায় রাত কাটানো মানুষগুলোকে শীতের কারণে জবুথবু হয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।




শীতবস্ত্র বা কম্বলের জন্য এসব মানুষ এখন তাকিয়ে আছে সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং প্রশাসনের দিকে। প্রশাসনের উদ্যোগ প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। ফলে কালিহাতীতে প্রয়োজন বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতাও।

ব্রেকিং নিউজঃ