পৌরসভা নির্বাচনে প্রেস ও মাইক ব্যবসায়ীরা প্রস্তুত

0 268

pageস্টাফ রিপোর্টারঃ

টাঙ্গাইল জেলার ৮টি পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারনায় নেমেছে। এখন প্রতীক বরাদ্দের পরই আনুষ্ঠানিক প্রচারে নেমে পড়বে প্রার্থীরা। তবে দলীয় মনোনীত প্রার্থীরা বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নির্বাচনী প্রতীক নৌকা ও ধানের শীষের প্রচার শুরু করেছে। আগামী ১৪ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের দিন। তারপরেই শুরু হবে প্রতীক নিয়ে ভোটযুদ্ধ। এখন প্রার্থীরা রীতিমতো প্রচারের কৌশল নির্ধারণের চেষ্টায় ব্যস্ত। আনুষ্ঠানিক প্রচারের অপেক্ষায় রয়েছে প্রার্থী ও সমর্থকরা।
এদিকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ছাপাখানা এবং মাইকের দোকান মালিকরা। নির্বাচন উপলক্ষে পোস্টার এবং লিফলেট ছাপার জন্য ছাপাখানা মালিক কাগজ, কালিসহ ছাপার উপকরণ স্টক করছে। মাইক ব্যবসায়ীরা তাদের মাইক মেরামতের পাশাপাশি নতুন মাইক সংগ্রহ করছে। ভোটের মৌসুমে যাতে নির্বিঘœভাবে কাজ করা যায় তার জন্য চলছে যতো আয়োজন। ব্যবসার ভাল মৌসুম বলে মনে করছে তারা।
জেলার অফসেট প্রেসের মালিকরা জানান, তারা প্রার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী কাজের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তারা আশা করছেন প্রতীক বরাদ্দের পর পুরোদমে কাজ শুরু হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটে সাদাকালো পোস্টার করা হবে। মেয়র এবং কাউন্সিলর প্রার্থীরা ভোটের আগে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্টার লিফলেট ছাপিয়েছে। তারা এমন দুই ডজন প্রার্থীর পোস্টার ছেপেছেন। বাজারদর অনুযায়ী ১৫ ইঞ্চি বাই ২০ ইঞ্চির পোস্টার প্রতি হাজার ছাপা যাবে ১৫০০ টাকায়। এছাড়া ১৮ ইঞ্চি বাই ২৩ ইঞ্চির পোস্টার ছাপা যাবে প্রতি হাজার ১৮০০ টাকায়। তবে কেউ যদি এক হাজার পোস্টার এবং দুই হাজার লিফলেট একই সঙ্গে পেতে চায় তবে তাকে ১৮০০ টাকায় তা করে দেয়া সম্ভব।
জেলার মাইক ব্যবসায়ীরা জানান, তারা সাধারণত শহরের বাইরে মাইক পাঠান না। তবে বিশেষ পরিচিত কেউ হলে তার জন্য সে এলাকায় ব্যবস্থা করছেন। পৌর এলাকার ব্যবসায়ীরা ক্ষেত্র বিশেষে তাদের কাছে মাইকসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি নিয়ে থাকেন। এবার প্রতিদিন প্রচারণার জন্য মাইক প্রতি ভাড়া পড়তে পারে পাঁচ থেকে আটশত। তাদের মতে ভোটের প্রচারে তাদের বাড়তি ব্যবসা হয়। এ ব্যবসা তারা হাতছাড়া করতে চান না।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

ব্রেকিং নিউজঃ