নাগরপুর হাসপাতাল সড়ক সেতু ঝুঁকিপূর্ণ ॥ আতঙ্ক চরমে

144

স্টাফ রিপোর্টার, নাগরপুর ॥
টাঙ্গাইলের নাগরপুর দরগ্রাম ও ছনকা বাজার সড়কের নাগরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন খালের উপর নির্মিত সেতুটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। সেতুর মাঝখানে ডেবে গেছে, দুই পাশের রেলিং ভেঙ্গে গেছে। বেশির ভাগ পিলারের পলেস্তারা উঠে গেছে। বেরিয়ে গেছে রড। গত চারদিন আগে এক পাশে ভেঙে ডেবে গেলেও ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছে হাজারো মানুষ ও যানবাহন। যে কোনো সময় সেতুটি ভেঙে পড়ে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। সেতুর কোন পাশেই লাগানো হয়নি ঝঁকিপূর্ণ লেখা সংবলিত সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড। করা হয়নি বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা। আর এই সড়ক দিয়েই প্রতিনিয়ত যাতায়াত করছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, মানিকগঞ্জের দৌলতপুর, সাটুরিয়াসহ ঢাকার যাত্রীরা।
ব্রীজের ঢালের মুদি দোকানী আব্দুস ছালাম (৬৯) টিনিউজকে বলেন, নাগরপুর দরগ্রাম ও ছনকা বাজার সড়কের নাগরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন খালের উপর সেতুটি নির্মিত হয় বাংলাদেশ স্বাধীনের আগে। এত বছর আগে সেতুটি নির্মিত হলেও আজ অবধি শুধুমাত্র রেলিং রং করা ছাড়া সেতু আর কোন প্রকার সংস্কার করা হয়নি। দীর্ঘ এত বছর ধরে সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন যাবৎ সেতুর ওপর দিয়ে অতিরিক্ত মালবাহী যানবাহন চলাচল করায় সেতুর একপাশ ভেঙে ডেবে গেছে। মনে আতঙ্ক-ভয় আর ঝুঁকি নিয়ে সেতুর ওপর দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে। সেতুটি যে কোনো মুহুর্তে ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। স্থানীয়বাসিন্দা আজাদ টিনিউজকে বলেন, সেতুটির ওপর দিয়ে চলাচলের সময় ভয়ে থাকতে হয়, কখন যেন এটি ভেঙে পড়ে। এমন আশঙ্কা নিয়ে ওই সেতুর ওপর দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত চলাচল করছি আমিসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ।
নাগরপুর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান টিনিউজকে বলেন, পাশে কোন বিকল্প রাস্তা নেই। তাই আমি জনসাধারনকে অনুরোধ করছি তারা যেন আপাতত নাগরপুর চৌরাস্তা হয়ে হাসপাতালের মাঠের পাশ দিয়ে চলাচল করেন। সেতুটি পুনর্নির্মাণের জন্য চেষ্টা করছি। আশা করছি খুব দ্রুতই পুনর্নির্মাণ করতে পারবো।

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ