নাগরপুরে ভালো বীজের কারণে মাঠজুড়ে তুলার বাম্পার ফলন

57

স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় চলতি মৌসুমে তুলা চাষ করে ব্যাপক লাভবান হবার স্বপ্ন বুনছেন চাষীরা। প্রতি বছর তুলা চাষে চাষীদের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। চলতি বছর সরকার চাষীদের বিভিন্ন প্রণোদনা প্রদান করে। এছাড়াও অনুকূল পরিবেশ, পরিচর্যা এবং ভালো বীজের কারণে মাঠজুড়ে তুলার বাম্পার ফলন হওয়ায় আশাবাদী কৃষকরা।
সরকারি প্রকল্পে ও বিভিন্ন প্রনোদনার মাধ্যমে চলতি বছর টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের দক্ষিন পুখুরিয়া গ্রামে তুলা চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এ লক্ষ্যে তুলা উন্নয়ন অধিদফতর ২৪৮ হেক্টর জমিতে উৎপাদন হবে ৩ টনের বেশি তুলা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। চাষের পরপরই বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে বিপাকে পড়েন কৃষক। এ সময় প্রয়োজনীয় পরামর্শের ফলে ক্ষতি কাটানো সম্ভব হয়। চাষিরা শ্রাবন মাসে তুলা রোপণ করেন এবার বন্যার কারনে শ্রাবন মাসের শেষে লাগানো হয় এবং চৈত্র-ফাগুন মাসে কাটা-মাড়াই শেষে ফসল ঘরে তুলতে পারেন। চাষীরা জানান, আগে তুলা চাষ করে অনেকে লোকসানে পড়েছেন। কিন্তু এ বছর সরকারি সুবিধাদি পাওয়ায় তুলার সঠিক পরিচর্যা করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে চাষীরা জমি পরিচর্চায় ব্যস্ত।
তুলা চাষিরা টিনিউজকে বলেন, অন্য ফসলের চেয়ে তুলা চাষ লাভজনক হওয়ায় এই অঞ্চলের কৃষকরা তুলা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। জেলায় সরকারী প্রনোদনায় তুলা চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে তুলা আমদানীর নির্ভরতা অনেকটাই কমে আসবে।
ঢাকা জোনের পাকুটিয়া ইউনিট তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা এনায়েত হোসেন টিনিউজকে জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা কোনো ধরনের আপদ না হলে তুলার বাম্পার ফলন আশা করছি। কৃষকরা যাতে উৎপাদিত তুলার ন্যায্যমূল্য পায় সেজন্য সরকারিভাবে তুলা ক্রয়ের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ