নাগরপুরে জমি নিয়ে বিরোধ।। দুই পক্ষের পাল্টা অভিযোগ

70

নাগরপুর প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের পাল্টা পাল্টি অভিযোগ। উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়রে ভাদ্রা বাজারে দোকান ঘর দখলের অভিযোগ করেন কাজী আবুল বাসার।
জানা যায়, ভাদ্রা বাজারে মৃত. আব্দুল হাকিম মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেনের মোট-৭ শতাংশ ভ‚মি থেকে পেয়ারা বেওয়ার কাছে সাড়ে তিন শতাংশ ভূমি বিক্রি করেন। বাকী সাড়ে তিন শতাংশ ভ‚মির মধ্যে আবু মিয়ার কাছে ২ শতাংশ এবং মো. শাজাহান মিয়া ও মুহাম্মদ শাহ্জাহান মিয়ার কাছে দেড় শতাংশ বিক্রি করেন । মুহাম্মদ শাহ্জাহান মিয়ার কাছ থেকে .২৫ পয়েন্ট ভ‚মি সাফ কবলা দলিলে কিনে নেন বাজারের ব্যবসায়ী মো. নিতুজ্জামান তুনির। একই ভ‚মি দাবী করেন কাজী আবুল বাশার । ওই দোকান ঘরে কাজী আবুল বাসার প্রায় ২৫ বছর ধরে কীটনাশকের ব্যবসা করে আসছেন। গত মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) সন্ধায় দলিল মুলে দখল নেন নিতুজ্জামান তুনির।




এ বিষয় আবুল বাশার বলেন, আমার ক্রয়কৃর্ত ভ‚মির উপর আমি দীর্ঘ দিন যাবৎ ভাদ্রা বাজারের পশ্চিম পাশে সার বীজ ও কীটনাশক বিক্রিয় করে আসছি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাজার বণিক সমিতির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো. নিতুজ্জামান তুনির তার দলবল নিয়ে আমার দোকানের মালামাল বের করে দিয়ে জোরপূর্বক ভাবে দোকান দখল নেন। দোকান ঘরের ভিতরে থাকা সরিষা, বীজ ও কীটনাশকসহ প্রায় ৫লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
মো. নিতুজ্জামান তুনির বলেন, আমি মুহাম্মদ শাহ্জাহান মিয়ার কাছ থেকে .২৫ পয়েন্ট ভ‚মি সাফ কবলা কিনে নেই। আবুল বাশার মুহাম্মদ শাহ্জাহান মিয়ার ওই ভ‚মিতে জোরপূর্বক দোকান ঘর উত্তোলন করে কীটনাশকের ব্যবসা করে আসছিল। আমি ভাদ্রা ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে কয়েকবার তাকে দোকানটি খালি করে দেয়ার নোটিশ করি। এতে সে কোন প্রকার কর্ণপাত না করায় আমি বাজার বনিক সমিতি লোকজন নিয়ে আমার ভ‚মি দখল নেই। দোকান ঘরে থাকা কিছু মালামাল লোকজন দিয়ে পাশেই আবুল বাশারের অন্য একটি দোকানের সামনে রেখে দেই । পরে আমি আমার ক্রয়কৃত দোকানে কিছু সিমেন্ট উঠাইলে শুক্রবার বিকেলে আবুল বাশার তা লুট করে নিয়ে যায়। ভূমি কিনে নেওয়ার পর থেকে আবুল বাশার আমার উপর কয়েক দফা হামলাও করে। এ নিয়ে আমি ভাদ্রা ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ করলে সাবেক চেয়ারম্যান কাগজ পত্র দেখে আমার পক্ষে রায় দেন।




ভাদ্রা বাজার বনিক সমিতির সাধারন সম্পাদক মো. আরিফুল হক আরিফ বলেন , তুনির ও বাশারের বিষয় নিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান ও বাজার বনিক সমিতির নেত্রীবৃন্দ কয়েক দফা বসা হয়েছে। আবুল বাশার কয়েকটি তারিখ নিয়েও তার ভ‚মির কোন কাগজপত্র দেখাতে পারে নাই। তুনির তার সাফ কবলা দলিল পত্র দেখিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভাইদের নিয়ে আবুল বাশারের মালামাল বের করে দিয়ে দোকান ঘর দখল করে নিয়ে সিমেন্ট উঠায়। পরে আবার আবুল বাশার শুক্রবার ওই দোকান ঘরের ভিতর থেকে সিমেন্টের বস্তা বের করে দিয়ে আবার দখল নিয়েছে বলে আমি শুনেছি।
ভাদ্রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শত্তকত আলী বলেন, আমার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে । এমপি মহোদয়ের নির্দেশে উভয় পক্ষকে ডেকে কাগজপত্র দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

 




ব্রেকিং নিউজঃ