দেলদুয়ারে ‘পারিবারিক পুষ্টি বাগান’ জনপ্রিয় হচ্ছে

40

স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ‘পারিবারিক পুষ্টি বাগান’ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সরকারি এই প্রকল্পের অনুকরণে ব্যক্তি উদ্যোগেও কৃষকরা বাড়ির উঠান ও আঙিনার খালি জায়গায় সবজি চাষে ঝুঁকছে। এতে করে একদিকে যোগান দিচ্ছে পারিবারিক পুষ্টির, আরেকদিকে সবজি বিক্রি করে সচ্ছল হচ্ছে দরিদ্র পরিবারগুলো।

দেশের এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদী থাকবে না। প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনায় মুজিব শতবর্ষে বঙ্গবন্ধু কৃষি উৎসব উপলক্ষে ‘পারিবারিক পুষ্টি বাগান’ স্থাপনের কার্যক্রম শুরু করেছে কৃষি বিভাগ। এ প্রকল্পের আওতায় টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ১০০টি করে পারিবারিক পুষ্টি বাগান প্রদশনি প্রর্যায়ক্রমে স্থাপন করা হবে। বাড়ির উঠানে বিভিন্ন প্রজাতির সবজি চাষ শুরু করা হয়। এজন্য প্রত্যেক পরিবারকে বিনামূল্যে বীজ সারসহ অন্যান্য সকল উপকরণ বিনামুল্যে দেয়া হয়। পরিত্যাক্ত জমিতে কৃষকরা রবি মৌসুমের শুরুতে মূলা, লাল শাক, কলমি, পাটশাক, পুঁইশাক, লাউ, পুইশাক ও ঘিমা কলমি শাকসহ নানা প্রজাতির সবজি চাষ করছেন।

 

স্থানীয কৃষক ফরিদ খান টিনিউজকে বলেন, সরকারের বিনামূল্যে সবজি বীজ পেয়ে আমার বাড়ির উঠান ও আঙিনার খালি জায়গায় বিভিন্ন প্রজাতির সবজি চাষ করে পরিবারের প্রতিদিনের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করার পরও বিক্রি করে বাড়তি টাকা আয় করছেন।

এ বিষয়ে দেলদুয়ার উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শোয়েব মাহমুদ টিনিউজকে বলেন, উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের একশ’ পরিবারকে এ প্রকল্পের আওতায় পর্যায়ক্রমে আনা হবে। সরকারি সহযোগিতা পেয়ে অনেকেই নিজেদের উদ্যোগে বীজ ও সার নিয়ে ‘পারিবারিক পুষ্টি বাগান’ করছেন। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে বাড়ির উঠান ও আঙিনার খালি জায়গায় সবজি চাষ জনপ্রিয় হচ্ছে। সকলের সহযোগিতা ও পরিশ্রমে ‘পারিবারিক পুষ্টি বাগান’ কর্মসুচী সফল হবে।

ব্রেকিং নিউজঃ