তিন উপজেলার ১৮টি ইউপি নির্বাচনে বিজিবি মোতায়েন

144

নোমান আব্দুল্লাহ ॥
রাত পোহালেই বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) টাঙ্গাইলের ৩টি উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৭৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এছাড়া সাধারণ সদস্য পদে ৬০৫ জন এবং সংরক্ষিত পদে ১৮৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ইতিমধ্যে নির্বাচনে ৩টি ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন।
অপরদিকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সদস্য পদে ১ জন এবং সংরক্ষিত পদে ২ জন প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৮৭ জন। ভোট কেন্দ্র ১৬২টি। নির্বাচনে বিজিবিসহ পর্যাপ্ত সংখ্যাক আইনশৃঙ্খলাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, দ্বিতীয় দফায় টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী, সখীপুরে এবং দেলদুয়ার উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ধনবাড়ী উপজেলায় পাইস্কা, ধোপাখালী, যদুনাথপুর, বানিয়াজান, বীরতারা, বলিভদ্র, মুশুদ্দি, সখীপুর উপজেলায় কাকড়াজান, বহেড়াতৈল, যাদবপুর, বহুরিয়া; দেলদুয়ার উপজেলায় দেলদুয়ার, পাথরাইল, দেউলী, এলাসিন, লাউহাটি, ফাজিলহাটি এবং ডুবাইল ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দি, বীরতারা এবং বলিভদ্র ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীরা নির্বাচিত হলেও সাধারণ সদস্য এবং সংরক্ষিত পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ধনবাড়ী উপজেলা- এ উপজেলায় পাইস্কা, ধোপাখালী, যদুনাথপুর, বানিয়াজান, বীরতারা, বলিভদ এবং মুশুদ্দি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই ৭ ইউনিয়নে মোট চেয়ারম্যান প্রার্থী ১৫ জন। এছাড়া সাধারণ সদস্য পদে ৮০ জন এবং সংরক্ষিত পদে ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ধোপাখালী ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী আকবর হোসেন (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল হোসেন তালুকদার (আনারস) এবং খোরশেদ আলম (ঘোড়া)। এছাড়া এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৯ হাজার ৩২৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯ হাজার ৪৩৬ জন এবং মহিলা ভোটার ৯ হাজার ৮৯২ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৫২টি। পাইস্কা ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে ৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান (নৌকা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আব্দুল জলিল (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আরশেদ আলী (চশমা), জাহাঙ্গীর আলম (ঘোড়া), রইচ উদ্দিন (আনারস) এবং শফিকুল ইসলাম (মোটরসাইকেল)। এছাড়া এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৮ হাজার ৫৩৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯ হাজার ১০৮ জন এবং মহিলা ভোটার ৯ হাজার ৪২৭ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৪৯টি। যদুনাথপুর ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে ৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী মীর ফিরোজ আহমেদ (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ কামরুজ্জামান (টেবিল ফ্যান), মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ (ঘোড়া), আমজাদ হোসেন (চশমা), খলিলুর রহমান (মোটরসাইকেল), রফিকুল হাসান তরফদার (আনারস)। এছাড়া এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২৫ হাজার ৪১২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১২ হাজার ৬৩৫ জন এবং মহিলা ভোটার ১২ হাজার ৭৭৭ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৬৭টি। বানিয়াজান ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম তালুকদার (নেীকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী খোকন (ঘোড়া) এবং মাদুস আলম (আনারস)। এছাড়া এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৪ হাজার ৮৪৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ হাজার ৩৬৯ জন এবং মহিলা ভোটার ৭ হাজার ৪৭৯ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ রয়েছে ৪৩টি। বীরতারা ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আহাম্মদ আল ফরিদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তবে এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৬ হাজার ৯৮৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮ হাজার ৪১৮ জন এবং মহিলা ভোটার ৮ হাজার ৫৬৬ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৪৭টি। বলিভদ্র ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম তালুকদার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তবে এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১২ হাজার ৩১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ হাজার ৮৩ জন এবং মহিলা ভোটার ৬ হাজার ২৩৫ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৩৫টি। মুশুদ্দি ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল কায়ছার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তবে এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৪ হাজার ৮২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ হাজার ৮৭৯ জন এবং মহিলা ভোটার ৭ হাজার ২০৩ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৪১টি।
দেলদুয়ার উপজেলা- এ উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিয়নগুলো হলো- দেলদুয়ার, পাথরাইল, দেউলী, এলাসিন, লাউহাটি, ফাজিলহাটি এবং ডুবাইল ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এসব ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বি চেয়ারম্যান প্রার্থী ৪৪ জন। এছাড়া সাধারণ সদস্য পদে ২৮৪ জন এবং সংরক্ষিত পদে ৮১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
দেলদুয়ার সদর ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে ৮ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাসুদ-উজ্জামান খান (নেীকা), স্বতন্ত্রী প্রার্থী আবু তাহের বাবুল (ঘোড়া), খন্দকার মো. গোলাম সরোয়ার আলম (রজনীগন্ধা), মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির খান (টেলিফোন), আব্দুর রাজ্জাক (চশমা), মতিয়ার রহমান মিয়া (অটোরিকশা), মিল্টন (মোটরসাইকেল), রবিন মিয়া (আনারস)। এছাড়া সাধারণ সদস্য পদে ৪৬ জন এবং সংরক্ষিত পদে ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২৬ হাজার ৩৬৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৩ হাজার ৭৪ জন এবং মহিলা ভোটার ১৩ হাজার ২৮৯ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ১১টি এবং ভোট কক্ষ ৭০টি। পাথরাইল ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে ৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী রাম প্রসাদ সরকার (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল আজিজ খান (আনারস), মাহফুজুর রহমান (চশমা), মোহাম্মদ হানিফুজ্জামান (মোটরসাইকেল), আতোয়ার রহমান মিয়া (টেলিফোন), আরিফ হোসেন খান (ঘোড়া)। সাধারণ সদস্য পদে ৪৬ জন এবং সংরক্ষিত পদে ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২৩ হাজার ৯২২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১২ হাজার ১৮ জন এবং মহিলা ভোটার ১১ হাজার ৯০৪ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৬৬টি। দেউলী ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে ৯ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী দেওয়ান তাহমিনা (নৌকা), জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইলিয়াছ (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমরান হোসেন (ঘোড়া), এএইচএম মাসুদুল আলম (অটোরিকশা), এসএম আনিসুর রহমান (মোটরসাইকেল), আতিকুর রহমান (টেবিল ফ্যান), আনিসুর রহমান (টেলিফোন), খোরশেদ আলম (চশমা), বাবুল হোসেন রাজু (চশমা)। এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য পদে ৩২ জন এবং সংরক্ষিত পদে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৪ হাজার ২৮৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ হাজার ১২৯ জন এবং মহিলা ভোটার ৭ হজার ১৫৫ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৩৯টি। এলাসিন ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে ৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী বেলায়েত হোসেন (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী ইস্কান্দার মোল্লা (চশমা), ওসমান গণি (অটোরিকশা), গোলাম কিবরিয়া (ঘোড়া), ফরহাদ আলী খান (আনারস), মানিক রতন (মোটরসাইকেল)। এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য পদে ৩৯ জন এবং সংরক্ষিত পদে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২৩ হাজার ৮৯২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১১ হাজার ৯৬৯ জন এবং মহিলা ভোটার ১১ হাজার ৯২৩ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৬৬টি। লাউহাটি ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে ৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুর রহমান (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আলামিন মল্লিক (মোটরসাইকেল), রফিকুল ইসলাম খান ফিরোজ (চশমা), সহিদ উল্লাহ (আনারস), শাহীন মোহাম্মদ খান (ঘোড়া)। এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য পদে ৩৯ জন এবং সংরক্ষিত পদে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২০ হাজার ২৬৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১০ হাজার ২৯২ জন এবং মহিলা ভোটার ৯ হাজার ৯৭৩ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৫৫টি। ফাজিলহাটি ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে ৪ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী শওকত আলী (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ হেলালুজ্জামান (আনারস), তোফাজ্জল হোসেন (মোটরসাইকেল), মনিরুজ্জামান (ঘোড়া)। এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য পদে ৩৭ জন এবং সংরক্ষিত পদে ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৭ হাজার ৭৯১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯ হাজার ৯ জন এবং মহিলা ভোটার ৮ হাজার ৭৮২ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৪৭টি। ডুবাইল ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে ৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রাথী ইলিয়াস মিয়া (নৌকা), জাতীয় পার্টির প্রার্থী আলমগীর মিয়া বাদশা (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী আলম দেওয়ান সাদেক (মোটরসাইকেল), তোফায়েল আহমেদ (অটোরিকশা), ফজলুর রহমান তুহিন (আনারস), রফিকুল ইসলাম (ঘোড়া)। এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য পদে ৪৫ জন এবং সংরক্ষিত পদে ১৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২০ হাজার ৯৯৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১০ হাজার ৪৬০ জন এবং মহিলা ভোটার ১০ হাজার ৫৩৪ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৫৮টি।
সখীপুর উপজেলা- এ উপজেলায় ৪টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিয়নগুলো হলো- কাকড়াজান, বহেড়াতৈল, যাদবপুর, বহুরিয়া। এসব ইউনিয়নে ১২ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এছাড়া সাধারণ সদস্য পদে ১৩৬ জন এবং সংরক্ষিত পদে ৩৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কাকড়াজান ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে ২ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম (নৌকা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী দুলাল হোসেন (আনারস)। এছাড়া সাধারণ সদস্য এবং সংরক্ষিত পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ৩০ হাজার ৬৩৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৫ হাজার ৭ জন এবং মহিলা ভোটার ১৫ হাজার ৬৩২ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ১৩টি এবং ভোট কক্ষ ৮৯টি। বহেড়াতৈল ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে ৪ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওয়াদুদ হোসেন (নৌকা), জাতীয় পার্টির প্রার্থী আলতাব হোসেন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কামরুল হাসান জিসু (হাত পাখা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম ফেরসৌস (আনারস)। এছাড়া সাধারণ সদস্য এবং সংরক্ষিত পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২০ হাজার ৩৮৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯ হাজার ৯২৭ জন এবং মহিলা ভোটার ১০ হাজার ৪৬০ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ১১টি এবং ভোট কক্ষ ৬৬টি। যাদবপুর ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ কে এম আতিকুর (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার বজলুর রহমান (আনারস) এবং জাহিদুল ইসলাম (চশমা)। এছাড়া সাধারণ সদস্য এবং সংরক্ষিত পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২৪ হাজার ৭০৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১২ হাজার ১৫৬ জন এবং মহিলা ভোটার ১২ হাজার ৫৪৯জন। মোট ভোট কেন্দ্র ১১টি এবং ভোট কক্ষ ৭৩টি। বহুরিয়া ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী নিরঞ্জ বিশ্বাস (আনারস), সরকার নুরে আলম মুক্তা (মোটরসাইকেল)। এছাড়া সাধারণ সদস্য এবং সংরক্ষিত পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২২ হাজার ৬৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১১ হাজার ১৪৯ জন এবং মহিলা ভোটার ১১ হাজার ৪৮৯ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৬টি এবং ভোট কক্ষ ৬৫টি।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান টিনিউজকে বলেন, ইতিমধ্যে নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। নির্বাচনে প্রতিটি উপজেলায় ৩ প্লাটুন করে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ৩ জন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিটি কেন্দ্রে ৭ জন করে পুলিশ এবং সাধারণ কেন্দ্রে ৬ জন করে পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। একই সাথে প্রতিটি কেন্দ্রে ১৭ জন করে আনসার সদস্য দায়িত্বও পালন করবে। অপরদিকে র‌্যাব এবং ডিবির টিমও কাজ করবে। আশা করছি বিগত সময়ের মতো এবারও নির্বাচন সুষ্ঠু এবং অবাধ হবে।

 

ব্রেকিং নিউজঃ