ঢাকা পাইওনিয়ার ফুটবলে টাঙ্গাইল জুনিয়র ফুটবল একাডেমীর ব্যর্থতা

210

মোজাম্মেল হক ॥
ঢাকা পাইওনিয়ার ফুটবল লীগ হলো তৃণমূল পর্যায় থেকে ফুটবল খেলোয়াড় তৈরীর প্রাথমিক ধাপ। এই লীগের মূল উদ্দেশ্য ফুটবলার খুঁেজ বের করা। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের তত্বাবধানে ও পাইওনিয়ার ফুটবল লীগ কমিটির ব্যবস্থাপনায় ‘ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন পাইওনিয়ার (অনুর্ধ্ব-১৫) ফুটবল লীগ এর আয়োজন করে।

১৯৮৭ সালে শুরু হওয়া এ লীগের এটি ছিল ২৬তম আসর। বসুন্ধরা গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় সূতীকাগার খ্যাত পাইওনিয়ার লীগে এবারের আসরে ৪৬টি ফুটবল ক্লাব ঢাকা মহানগরীর ৫টি মাঠে ভাগ হয়ে খেলেছে। প্রায় ১৫০০ কিশোর ফুটবলার আগামীর স্বপ্ন চোখে নিয়ে টুর্নামেন্টটিতে মাঠে নামে। প্রতি গ্রুপ থেকে ২টি করে মোট ২০টি দল সুপার লীগে ৪টি গ্রুপে অংশগ্রহণ করছে। এই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল খেলবে সেমিফাইনালে এবং তৃতীয় বিভাগে উন্নীত হবে। টাঙ্গাইল সদর থেকে কোচ আতিকুর রহমান জামিলের টাঙ্গাইল জুনিয়র ফুটবল একাডেমী অংশগ্রহণ করে। গত ২৮ মে শুরু হওয়া মাস ব্যাপী পাইওনিয়ার ফুটবল লীগে টাঙ্গাইল জুনিয়র ফুটবল একাডেমীর ভেন্যু উত্তরার ১৪নং সেক্টর।

টাঙ্গাইলের গ্রুপে ১৪নং সেক্টর মাঠে প্রতিপক্ষ ছিলো গাজীপুর ফুটবল দল, গাজীর চট ফুটবল দল, উত্তরা পল্লীবন্ধু ফুটবল দল ও ইশ্বরগঞ্জ ফুটবল দল। খেলায় টাঙ্গাইল জুনিয়র ফুটবল একাডেমী উত্তরা পল্লীবন্ধু ফুটবল দলের সাথে ০-৪ এবং গাজীর চট ফুটবল একাডেমীর সাথে ২-৬ গোলে পরাজিত হয় এবং ইশ্বরগঞ্জ ফুটবল একাডেমীকে ৭-১ এবং গাজীপুর একাডেমীকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সান্তনার জয় পায়। এই টুর্নামেন্টের টাঙ্গাইলের পক্ষে কোচ রনজিৎ রায়ের অধীনে আজিজুলের অধিনায়কত্বে সিয়াম, সজিব, জিমাম, আসাদুল, প্রান্ত, পার্থ, ইসরাফিল, প্রতীম, দিপু, সীমান্ত, দীপ, ফাহাদ, রিফাত, শান্ত ও সবুজ অংশগ্রহণ করে। ২টি ম্যাচে জয় ও ২টি ম্যাচে পরাজয়ে টাঙ্গাইল ফুটবল একাডেমীর স্বপ্ন ভঙ্গ হয়। তারা আশাবাদী আগামী আসরে ভালো করবে। যদিও একটি দল ২০১৫ সালে কোচ আতিকুর রহমান জামিলের কোচিংয়ে টাঙ্গাইল ফুটবল একাডেমী পাইওনিয়ার লীগে রানার্সআপ হয়ে তৃতীয় বিভাগ ফুটবল লীগে উন্নীত হয়েছে।

ব্রেকিং নিউজঃ