বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2020
Home টাঙ্গাইল ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক স্বাভাবিক ॥ বাড়ছে গাড়ীর চাপ

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক স্বাভাবিক ॥ বাড়ছে গাড়ীর চাপ

কাজল আর্য ॥
আগামী শনিবার (১ আগস্ট) ঈদুল আযহা। নাড়ীর টানে বাড়ি ফিরতে মানুষ। অন্যবারের তুলনায় এবার একেবারেই ভিন্ন চিত্র ঢাকা-টাঙ্গাইল ও বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে। নেই যানজট। অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই চলছে যানবাহন। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে গাড়ীর চাপ বাড়ছে মহাসড়কে। নির্বিঘ্নে বাড়ি ফেরা নিশ্চিত করতে সড়কে কাজ করছেন পুলিশের সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) মহাসড়কের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব এলাকা, উত্তরবঙ্গসহ ২৩ জেলার প্রবেশদ্বার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড, সদরের রাবনা বাইপাস, আশেকপুর বাইপাস এবং করটিয়া বাইপাস ঘুরে দেখা যায়, যানবাহনগুলো অত্যন্ত স্বাভাবিক গতিতে চলাচল করছে। সড়কে দুরপাল্লার বাসের সাথে সাথে অসংখ্য মোটরসাইকে, মাইক্রোবাস এবং লেগুনা চলছে। এলেঙ্গা থেকে বগুড়াগামী লেগুনার যাত্রী মোবারক হোসেন টিনিউজকে বলেন, মহাসড়কে যানজট নেই। তবে ভাড়া অনেক বেশি নিচ্ছে চালকরা। এলেঙ্গা থেকে বগুড়া যাচ্ছি ৪০০ টাকায়। ঢাকা উত্তরবঙ্গগামী একাধিক বাসের চালক কামাল শেখ টিনিউজকে বলেন, নির্ধারিত সময়েই যাতায়াত করছি। রাস্তায় কোন অসুবিধা নেই। এছাড়া এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে অসংখ্য মানুষকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। তার যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করছেন।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার (ওসি) কাজী আয়ুবুর রহমান টিনিউজকে বলেন, মহাসড়ক স্বাভাবিক। কোন যানজট নেই। তবে সন্ধ্যার পরে গাড়ীর চাপ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর আকরামুল হাসান টিনিউজকে বলেন, রাতে গাড়ীর চাপের কারণে কিছু কিছু স্থানে ধীরগতি রয়েছে। তবে সকালের দিকে যানবাহনের চাপ আরও বাড়বে।
বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষ টিনিউজকে জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় সেতু দিয়ে ছোট-বড় ৩৫, ৬০০টি যান পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয় ২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। স্বাভাবিকভাবে প্রতিদিন গড়ে ১৪ থেকে ১৫ হাজার গাড়ী সেতু দিয়ে পারাপারা হয়।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্তি পুলিশ সুপার (ডিএসবি) শফিকুল ইসলাম টিনিউজকে জানান, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সারা দিন মহাসড়কে স্বাভাবিক ছিল। ভোগান্তি ছাড়াই মানুষ বাড়ি ফিরছেন। ৬ শতাধিক পুলিশ সদস্য মহাসড়কে নিরলসভাবে কাজ করছে। আশা করি যানজট কষ্ট ছাড়াই মানুষ প্রিয়জনের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারবেন।
এদিকে মহাসড়তে যাতায়াতকারীদের দেখা যায়, অনেকের মুখে মাস্ক নেই। আবার গাদাগাদি করে লেগুনায় চড়ে যাচ্ছেন। সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। বন্যার কারণে উত্তরবঙ্গের অনেকেই ঈদে বাড়ি যাচ্ছেন না বলে অনেকেই জানিয়েছেন।

ব্রেকিং নিউজঃ