টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচন ১৭ অক্টোবর ॥ ১৭২২ ভোটার প্রস্তুত

114

হাসান সিকদার ॥
রাত পোহালেই সোমবার (১৭ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তাই শেষ মুহূর্তে কতিপয় প্রার্থীরা ভোটারদের নানা কৌশলে ম্যানেজ করার চেষ্টা করছেন। তবে এই নির্বাচনে অন্য কোনো দল অংশ না নেওয়ায় আওয়ামী লীগ নিজ দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গেই করতে হচ্ছে ভোটযুদ্ধ। এদিকে এই নির্বাচনের শের্ষ মুর্হুতে ভোটাররা কঠিণ চাপ ও ভয়ভীতির মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অন্যদিকে প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতারা তাঁদের নিজস্ব বলয়ের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে তৎপর হয়ে উঠে পড়ে লেগেছেন। ইতিমধ্যে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে। নিজ নিজ উপজেলা পরিষদের হল রুমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।




সোমবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ইভিএমে একটানা ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ১২টি উপজেলায় সাধারণ সদস্য পদে ৪০ জন সদস্য ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ১১ জন নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচন সুষ্ঠু এবং অবাধ করতে বিজিবিসহ পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এদিকে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। প্রতিটি উপজেলা পরিষদের হল রুমে নির্বাচনের কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে।




জানা যায়, প্রার্থীদের মধ্যে মাত্র কয়েকজন ছাড়া অধিকাংশই আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি আস্থা রাখতে না পেরে তাঁরা ভোটের মাধ্যমে যোগ্যতা যাচাইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক চেয়ারম্যান পদে পুণরায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন।

এদিকে মধুপুর উপজেলায় অধ্যক্ষ নাসির উদ্দিন ও আমিনুল ইসলাম বাবলু প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিন মনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পুণরায় সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তবে বাকি ১১ আসনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর বিপরীতে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন দলীয় সমর্থন বঞ্চিতরা।




এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান টিনিউজকে বলেন, জেলার ১১টি সাধারণ ওয়ার্ড এবং ৪টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ভোট কেন্দ্র ১২টি। ভোট কক্ষ রয়েছে ২৪টি। মোট ভোটার ১ হাজার ৭২২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ হাজার ৩১৫ জন এবং মহিলা ভোটার রয়েছে ৪০৭ জন। নির্বাচনে ২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচনে ১ জন জুডিসিয়াল এবং ১২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া নির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্রে আনসার ৪ জন এবং পুলিশ ৭ জন থাকবে। নির্বাচনে কেন্দ্রের ভিতর এবং বাইরে সিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচনের কেন্দ্রের ভিতরে কোন ভোটার মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারে না।

ব্রেকিং নিউজঃ