টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে দেলদুয়ারে এমপির বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ

341

স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে দেলদুয়ার উপজেলার (৯নং ওয়ার্ড) সদস্য পদে স্থানীয় সংসদ সদস্য তার পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য প্রভাব বিস্তার করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ আসনের সদস্য পদের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন জেলা পরিষদের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। মোশারফ হোসেন (তালা) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।

স্থানীয় সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু সমর্থন করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এস প্রতাব মুকুলকে। তিনি (টিউবওয়েল) প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এছাড়াও এই আসনে সদস্য পদে আরো দুই প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। তারা হচ্ছেন- গোলাম কিবরিয়া (হাতী) ও প্রভাংশু রঞ্জন সোম (ঘুড়ি)।




লিখিত অভিযোগে তিনি জানান, নির্বাচনী প্রচারণা করতে গিয়ে তিনি বাধাগ্রস্ত হচ্ছেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য তার মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য নানা রকম প্রচেষ্টা করছেন। তিনি ইতোমধ্যে, ৮টি ইউনিয়নের ভোটারদের (ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্য) নিয়ে দুটি সভা করেছেন। সে সভায় তার মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হলে প্রত্যেককে এক টাকা করে টিআর দিবেন। তাদের নিকট থেকে প্রকল্পের তালিকাও জমা নিয়েছেন।
সভায় সংসদ সদস্য বলেছেন, তিনি ভোট কেন্দ্রে অবস্থান করে যে কোন মূল্যে ভোটারদের কাছ থেকে ভোট আদায় করবেন। ভোটারদের তার প্রার্থীকে ভোট দিয়ে মোবাইল ফোনে তাকে দেখাতে হবে বলে জানিয়েছেন। সংসদ সদস্য প্রত্যেকটি ইউনিয়নে ঘুরে ঘুরে ভোটারদের প্রলোভন দেখাচ্ছেন।




দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম শিবলী সাদিক সাংবাদিকদের বলেন, জেলা পরিষদের সদস্য পদে দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। সংসদ সদস্য সবার অভিভাবক। তিনি নিরপেক্ষ থাকবেন। কিন্তু একজন প্রার্থীর পক্ষে মাঠে কাজ করছেন। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোট নেয়ার জন্য নিয়মিত মাঠে সভা ও কাজ করতেছেন। ভোটারদের উপর প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ব্যাপারে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি সাংবাদিকদের বলেন, অভিযোগের যথাযথ প্রমাণ পেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ জেলা পরিষদ নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি ভাল। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবাই তৎপর রয়েছেন৷ তাদের সাথে আমাদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও মনিটরিং আছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটুকে মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেন নি।

 

ব্রেকিং নিউজঃ