টাঙ্গাইলে ২৩ হাজার ৫২৯ জনের করোনার নমুনা সংগ্রহ

212

এম কবির ॥
টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) নতুন করে ১৬ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ৩৬০১ জনের দেহে করোনার ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৩৩৫৪ জন। সুস্থতার হার ৯৩.১৪ ভাগ। আর টাঙ্গাইল সদরে ২৭, ঘাটাইলে ৮, মির্জাপুরে ৬, দেলদুয়ার ৪, ধনবাড়ীতে ৩, কালিহাতীতে ৩, গোপালপুরে ২, ভুঞাপুরে ২, সখীপুরে ২, বাসাইলে ২, মধুপুরে ১ ও নাগরপুরে ১ জনসহ মোট ৬১ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর হার ১.৬৮ ভাগ।
নতুন আক্রান্তদের মধ্যে বাসাইলে ৬, মধুপুরে ৩, টাঙ্গাইল সদরে ২, কালিহাতীতে ২, নাগরপুরে ১, মির্জাপুরে ১ ও ঘাটাইলে ১ জন রয়েছে। গত ৮ এপ্রিল জেলায় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। জেলায় এপ্রিল মাসে ২৪ জন, মে মাসে ১৪১ জন, জুন মাসে ৪৪৭ জন, জুলাই মাসে ১০২৬ জন , আগস্ট মাসে ৯৬৪, সেপ্টেম্বর মাসে ৫২৯, অক্টোবর মাসে ১৫২, নভেম্বর মাসে ২০৫ এবং এখন পর্যন্ত (১৫ ডিসেম্বর) ১০৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মাস ভিত্তিক করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা আবার বাড়ছে। এখন পর্যন্ত আক্রান্তদের মধ্যে ৪ জন রোগী টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ৫০ বেডের করোনা ডেডিকেডেট ইউনিটে ভর্তি রয়েছে।
এদিকে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলা থেকে ২৩ হাজার ৫২৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৭০ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছে। হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছে ৯ জনকে। ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ৪৭ জনকে। এখন পর্যন্ত প্রেরিত সকল নামুনার রেজাল্ট এসেছে। বর্তমানে জেলায় মোট ৩৬০১ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান টিনিউজকে বলেন, টাঙ্গাইল জেলায় এ পর্যন্ত ৩৬০১ জন করোনা ভাইরাস রোগী সনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ১৩০৭, মির্জাপুরে ৫৬৬, কালিহাতীতে ২৪২, ঘাটাইলে ২৩০, মধুপুরে ২৩২, সখীপুরে ২২৭, ভুঞাপুরে ১৮২, ধনবাড়ীতে ১৬৫, গোপালপুরে ১৪০, দেলদুয়ারে ১২৫, নাগরপুরে ৯৯ ও বাসাইলে ৮৬ জন রয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৪ জন রোগী টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ৫০ বেডের করোনা ডেডিকেডেট ইউনিটে ভর্তি রয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৩৩৫৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। এরা হলেন- টাঙ্গাইল সদরে ১২০১, মির্জাপুরে ৫৫২, কালিহাতীতে ২৩৬, মধুপুরে ২২১, ঘাটাইলে ২২০, সখীপুরে ২১০, ভূঞাপুরে ১৭৭, ধনবাড়ীতে ১৫২, গোপালপুরে ১৩৪, নাগরপুরে ৯৩ দেলদুয়ারে, ৮৫ ও বাসাইলে ৭৩ জন।
এখন পর্যন্ত পর্যন্ত ২৪ হাজার ৩৯৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনের ও হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছিল। এদের মধ্যে ২৩ হাজার ৭৩৪ জনকে কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছে। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ৬৬৩ জন।
এছাড়া জেলায় করোনা ভাইরাসে এ পর্যন্ত ৬১ জন মারা গিয়েছে। নিহতরা হলো- টাঙ্গাইল সদরের পৌর শহরের আদালত পাড়ার আলী কমপ্লেক্সের মালিক আব্দুর রাজ্জাক, রুহুল আমিন চৌধুরী, আবু তালেব, পৌর এলাকার একজন, পৌর এলাকার কালিপুরে একজন, পৌর শহরের পাড়দিঘুলিয়ায় একজন, দক্ষিন থানা পাড়ার হাসান মাহমুদ, চরকাকুল্লী গ্রামের জিনিয়া, সদরের পনেরোজন, থানাপাড়ার আব্দুর রশিদ, মোর্শেদা, পৌর শহরের মুসলিম পাড়ায় আব্দুল ওহাব মিয়া, নতুন একজন, ঘাটাইলে মহিউদ্দিন, আব্দুল মান্নান খান, চান্দসী গ্রামের মতিউর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান, তিনজন, নতুন একজন, মির্জাপুরে রেনু বেগম, শামসুল আলম, সমসের আলী, আবু মোতালেব, বিশা মিয়া, প্রকাশ কর্মকার দুলু, ধনবাড়ীতে আব্দুল করিম ভুইয়া, ধনবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বকল (৬৮), নতুন একজন, দেলদুয়ার উপজেলার এলাসিনের একজন, মহাদেব বসাক, নাজমা বেগম, নতুন একজন, কালিহাতীর কোকডহরা গ্রামের পরেশ বনিক (৮৫), পৌর শহরের বেতডোবার অমলা রানী পাল (৬০), নতুন একজন, সখীপুরে পোশাককর্মী আব্দুল হালিম, পৌর এলাকার মন্দিরপাড়া এলাকায় গীরিস চন্দ্র কর্মকার, ভুঞাপুরে তোফায়েল হোসেন, সুশান মিয়া, গোপালপুরের দুইজন, বাসাইলের আবু সরকার, নতুন একজন, মধুপুরে একজন ও নাগরপুরের একজন।

ব্রেকিং নিউজঃ