টাঙ্গাইলে হত্যার পর ধর্ষণ করা হয় শিশু শান্তাকে

109

আদালত সংবাদদাতা ॥
টাঙ্গাইলে ১০ বছরের এক শিশুকে হত্যার পর ধর্ষণের ঘটনায় একমাত্র মূল আসামী মাজেদুর রহমান (২৫) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি এ জবানবন্দি দেন। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুমন কুমার কর্মকার তার জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। জবানবন্দি দেয়ার পর মাজেদুরকে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়। গলায় ওড়না পেচিয়ে হত্যার পর ধর্ষণ করে কাঠ মিস্ত্রি মাজেদুর রহমান বলে আদালতে জবানবন্দিতে জানান। নিহত ওই শিশু স্থানীয় চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ এবং পরিবারের লোকজন টিনিউজকে বলেন, শিশু শান্তার লাশ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়র চৌধুরী মালঞ্চ মিরপুর মধ্যপাড়া গ্রামে তাদের বাড়ির কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। শান্তা ওই গ্রামের সাদেক আলীর মেয়ে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে শান্তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। রাত আটটার দিকে তার মরদেহ বাড়ির পাশে একটি কচু খেতে পড়ে থাকতে দেখতে পায় স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরদিন বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। নিহত শান্তার ভাই সানি আলম বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে থানায় মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন টিনিউজকে বলেন, লাশ উদ্ধারের পর ওই গ্রামের চারজনকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে আনোয়ার হোসেনের ছেলে মাজেদুর রহমান শিশু শান্তাকে হত্যার পর ধর্ষনের কথা স্বীকার করেন। পরে তিনি আদালতে জবানবন্দি দিতে রাজি হন। জবানবন্দিতে মাজেদুর জানিয়েছেন, ঘটনার দিন বিকেলে তার লেবু খেতের কাছে শিশু শান্তা আসে। তখন ধর্ষণের উদ্দেশে মাজেদুর শান্তার গলায় পেঁচানো ওড়না ধরে টান দেন। শান্তা চিৎকার করার চেষ্টা করলে তিনি ওড়না টান দিয়ে ধরেন। এক পর্যায়ে নিস্তেজ হয়ে পড়লে শান্তাকে মাজেদুর ধর্ষন করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

 

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ