টাঙ্গাইলে সুগন্ধী জাতের ধান চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা

64

হাসান সিকদার:
আমদানী নির্ভরতা কমিয়ে আনার লক্ষে কৃষি বিভাগে পরার্মশে টাঙ্গাইলের সকল উপজেলায় সুগন্ধী জাতের ধান চাষ করছেন কৃষকরা। চলতি মৌসুমে আমনের পাশাপাশী কালিজিড়া, চিনিগুড়া এবং ব্রি ৩৪ জাতের ধান আবাদ করেছেন। তবে দেশে উদ্ভাবিত ব্রি ৩৪ ধানে ফলন বেশী হওয়ায় কৃষি বিভাগ কৃষকদের এ জাতের ধান বেশী আবাদে পরামর্শ দিচ্ছেন।




পোলাও, বিরিয়ানী, পয়েশসহ মুখরোচক খাবার তৈরীতে সুগন্ধী চালের কোন বিকল্প নেই। দেশে প্রচুর পরিমানে চাহিদা রয়েছে সুগন্ধী চালের। একারনে প্রতিবছর বিপুল পরিমান সুগন্ধী চাল আমদানী করতে হয় বিদেশ থেকে। এতে বিপুল পরিমান বৈদেশিক মুদ্রার খরচ হয়। এ কারনে কৃষি বিভাগ উদ্যোগ নিয়েছে দেশেই সুগন্ধী জাতের ধান বেশী পরিমানে চাষ করার। এরই অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলের কৃষকরা এবার সুগন্ধী জাতের ধান কালিজিড়া, চিনিগুড়া ও ব্রি-৩৪ ধান চাষ করেছেন। সুগন্ধী জাতের ধান চাষে আগ্রহী অনেক কৃষককে প্রনোদন কর্মসুচীর আওতায় দেয়া হয়েছে ব্রি-৩৪ জাতের ধানের বীজ ও সার। এছাড়াও অনেক কৃষক চলতি মৌসুমে আমনের পাশাপাশী নিজ উদ্যোগে কালিজিড়া ও চিনিগুড়া ধানের চাষ করেছেন। সুগন্ধী জাতের ধানের ফলন আমনের চেয়ে বেশী হয়েছে বলে জানান কৃষকরা। সুগন্ধী জাতের ধান ও চালের বাজার মুল্য আমন ধানের চেয়ে অনেক বেশী। এ কারনে কৃষকরা আগামীতে আরো বেশী জমিতে সুগন্ধী জাতের ধান চাষের কথা ভাবছেন।




আমনের পাশাপাশী সুগন্ধী জাতের ধান চাষে বিশেষ করে ব্রী-৩৪ জাতের ধান চাষে কৃষকদের উদ্ভুদ্ধ করছে কৃষি বিভাগ। বিনামুল্যে বীজ, সার সরবরাহসহ সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানান কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের উপ-পরিচালক আহসানুল বাশার।
অন্য জাতের ধান আবাদ ঠিক রেখে সুগন্ধী জাতের ধান আবাদ আরো বাড়ানো গেলে আমদানী নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশী কৃষকরাও আর্থিকভাবে লাভবান হবেন, বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ঠরা।



ব্রেকিং নিউজঃ