টাঙ্গাইলে সুগন্ধী জাতের ধান চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা

94

স্টাফ রিপোর্টার ॥
আমদানী নির্ভরতা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে কৃষি বিভাগে পরার্মশে টাঙ্গাইলের সকল উপজেলায় সুগন্ধী জাতের ধান চাষ করছেন কৃষকরা। চলতি মৌসুমে আমনের পাশাপাশী কালী জিড়া, চিনিগুড়া এবং ব্রি-৩৪ জাতের ধান আবাদ করেছেন। তবে দেশে উদ্ভাবিত ব্রি-৩৪ ধানে ফলন বেশী হওয়ায় কৃষি বিভাগ কৃষকদের এ জাতের ধান বেশী আবাদে পরামর্শ দিচ্ছেন।




জানা যায়, পোলাও, বিরিয়ানী, পায়েশসহ মুখরোচক খাবার তৈরীতে সুগন্ধী চালের কোন বিকল্প নেই। দেশে প্রচুর পরিমানে চাহিদা রয়েছে সুগন্ধী চালের। এ কারনে প্রতিবছর বিপুল পরিমান সুগন্ধী চাল আমদানী করতে হয় বিদেশ থেকে। এতে বিপুল পরিমান বৈদেশিক মুদ্রার খরচ হয়। এ কারনে কৃষি বিভাগ উদ্যোগ নিয়েছে দেশেই সুগন্ধী জাতের ধান বেশী পরিমানে চাষ করার। এরই অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলের কৃষকরা এবার সুগন্ধী জাতের ধান কালী জিড়া, চিনিগুড়া ও ব্রি-৩৪ ধান চাষ করেছেন। সুগন্ধী জাতের ধান চাষে আগ্রহী অনেক কৃষককে প্রনোদন কর্মসুচীর আওতায় দেয়া হয়েছে ব্রি-৩৪ জাতের ধানের বীজ ও সার। এছাড়াও অনেক কৃষক চলতি মৌসুমে আমনের পাশাপাশি নিজ উদ্যোগে কালী জিড়া ও চিনিগুড়া ধানের চাষ করেছেন।




সুগন্ধী জাতের ধানের ফলন আমনের চেয়ে বেশী হয়েছে বলে টিনিউজকে জানান কৃষকরা। তারা বলেন, সুগন্ধী জাতের ধান ও চালের বাজার মুল্য আমন ধানের চেয়ে অনেক বেশী। এ কারনে কৃষকরা আগামীতে আরো বেশী জমিতে সুগন্ধী জাতের ধান চাষের কথা ভাবছেন। তবে কৃষি বিভাগ থেকে তাদেরকে বীজ ও সার দেয়া হয়নি।




টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক আহসানুল বাশার টিনিউজকে বলেন, জেলায় এবার ৬১৬ হেক্টর জমিতে সুগন্ধী জাতের ধান বিশেষ করে ব্রি-৩৪ জাতের ধান আবাদ হয়েছে। আমনের পাশাপাশি সুগন্ধী জাতের ধান চাষে বিশেষ করে ব্রি-৩৪ জাতের ধান চাষে কৃষকদের উদ্ভুদ্ধ করছে কৃষি বিভাগ। বিনামুল্যে বীজ, সার সরবরাহসহ সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানান এই কৃষি কর্মকর্তা। অন্য জাতের ধান আবাদ ঠিক রেখে সুগন্ধী জাতের ধান আবাদ আরো বাড়ানো গেলে আমদানী নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি কৃষকরাও আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।

ব্রেকিং নিউজঃ