টাঙ্গাইলে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে আটা-ময়দার দাম

43

স্টাফ রিপোর্টার ॥
লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আটা-ময়দার দাম। সাত দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি আটার দাম বেড়েছে ৫ টাকা। চালসহ নিত্যপণ্য নিয়ে ভোগান্তির মধ্যেই আটার দাম বাড়ায় শঙ্কিত ভোক্তারা। বিক্রেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিশ্ববাজারে গমের দাম বৃদ্ধি পায়। এছাড়া পরিবহন খরচের দাম বৃদ্ধির কারনে এসব নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তারা জানান।




এক কেজি খোলা আটার দাম ৬০ থেকে ৬২ টাকা। খোলা আটার কেজি মোটা চালের চেয়ে ১০ থেকে ৫ টাকা বেশি। খোলা ময়দা প্রতি কেজি ৬৮ থেকে ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে মোড়কজাত (প্যাকেট) আটার দামও বাড়ছে। দুই কেজির দাম বেড়ে হয়েছে ১২৬-১৩০ টাকা। এক সপ্তাহ আগেও ছিল ১১০-১১৫ টাকা।




গত সপ্তাহে খোলা আটার দাম ৫৫ টাকা ছিল। তা থেকে বেড়ে ৬০ টাকা হয়েছে। বিভিন্ন কোম্পানির (৫০ কেজি) আটার বস্তা গত সপ্তাহে দাম ছিল ২৬শ’ থেকে ২৭শ’ টাকা। এ সপ্তাহে ২৮শ’ ৫০ টাকা থেকে ২৯শ’ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি ৫৭ টাকা থেকে সাড়ে ৫৭ টাকায় কিনতে হচ্ছে। এরপর পরিবহন খরচ আছে। তারপরও এই দামে আটার বস্তা পাওয়া যাচ্ছে না।




গত সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশে কেজিতে মোটা চালের গড় দাম ছিল ৫০ টাকা ২০ পয়সা। ওই সময়ে আটার গড় দাম ছিল ৫৫ টাকা। অন্যদিকে চালের দাম গত আগস্ট মাসে ছিল ৫৩ টাকা। তখন আটার দাম ছিল ৫২ টাকার নিচে। জুলাই মাস থেকেই চালের চেয়ে আটার দাম তুলনামূলক বেশি বাড়তে থাকে।




প্রতিদিনের বাজার অনুযায়ী, খোলা আটার দাম এক মাসে ৫ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং এক বছরে ৬৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেড়েছে। মোড়কজাত আটার দাম এক মাসে ৫ দশমিক ২২ শতাংশ এবং এক বছরে ৫৫ দশমিক ১৩ শতাংশ বেড়েছে।




ক্রেতারা হতাশা প্রকাশ করেন বলেন, এখন চালের চেয়ে আটা, ময়দা ও সুজির দাম বেশি। সরকারকে চাল, তেল, আটার মতো নিত্যপণ্যের ক্ষেত্রে ভোক্তার স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। বৈশ্বিক কারণে অনেক জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। তবে অনেক ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা পণ্যের দাম অতিরিক্ত বাড়াচ্ছেন। নিত্যপণ্যের ক্ষেত্রে আমরা দেখি, সুযোগ বুঝে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের মধ্যে অতিরিক্ত মুনাফা করার প্রবণতা রয়েছে। এ বিষয়ে সরকারকে কঠোর মনিটরিং করতে হবে।

 

ব্রেকিং নিউজঃ