টাঙ্গাইলে লকডাউনের সপ্তম দিনে সর্বত্রই ঢিলেঢালা

150

হাসান সিকদার ॥
করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সারাদেশে চলছে সরকারঘোষিত ‘সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন’। তবে চলমান এ লকডাউনের সপ্তম দিনে বিধিনিষেধ আরোপে কোথাও দেখা গেছে কঠোরতা, আবার কোথাও ঢিলেঢালা। টাঙ্গাইলে কোনো কোনো সড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ, যান ও জনজট দেখা গেছে। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) টাঙ্গাইলের নিরালা মোড়, পুরাতন বাস টার্মিনাল, নতুন বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
দেখা গেছে, লকডাউনে যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকায় প্রয়োজনের তাগিদে বের হওয়া মানুষ সিএনজি, অটোরিক্সা ও রিক্সায় যাতায়াত করছেন। কোথাও কোথাও পুলিশের চেকপোস্টে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাদের। আবার কোথাও স্বাভাবিকভাবেই যাতায়াত করা যাচ্ছে। মূল সড়কে যানজট দেখা গেছে। পুরো সড়কজুড়েই রিকশা, অটোরিক্সা আর সিএনজির আধিপত্য লক্ষ্য করা গেছে। আর সড়কে মানুষের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একজন ট্রাফিক সার্জেন্ট বলেন, লকডাউনে রাস্তায় চলাচলে বিধিনিষেধ থাকলেও অনেকে বিনা প্রয়োজনেও রাস্তায় বের হচ্ছেন। আমরা এমন ক্ষেত্রে জরিমানা করছি। আবার কেউ কেউ বিভিন্ন অজুহাত দেখাচ্ছেন। তবে জরুরি সেবায় সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা অবাধে চলাচল করতে পারছেন।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আল আমিন টিনিউজকে বলেন, আমার বাসা সাবালিয়া, যাবো সন্তোষ। বাড়তি টাকা দিয়ে অনেক কষ্টে এসেছি। এখন এখান থেকে কোনো যানবাহন পাচ্ছি না। আর রিকশার ভাড়া অনেক বেশি হওয়ায় এখনও দাঁড়িয়ে আছি। এক ব্যাংক কর্মকর্তা সুজন মাহমুদ টিনিউজকে বলেন, লকডাউনের শুরু থেকেই অফিস করতে হচ্ছে। যেহেতু ব্যাংকিং কার্যক্রম চলছে, তাই আমাদের অফিসে যাতায়াত করতে হয়। আমার অফিস যেহেতু শহরের মেইন রোডে, তাই অটোরিক্সাতেই যেতে পারছি। রাস্তায় যানবাহন যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক চলছে। তবে বাড়তি ভাড়া দিয়েই রিক্সা করে অফিসে যেতে হচ্ছে। এদিকে সড়কে চলা সিএনজি ও অটোরিক্সাগুলো কাছাকাছি গন্তব্যে চলাচল করছে। এক্ষেত্রে এক সিএনজিতে চারজন বা পাঁচজন করে যাত্রী বহন করতে দেখা গেছে। সিএনজি চালকরা বলছেন, দূরের যাত্রায় পুলিশ ধরলে তিন হাজার টাকা জরিমানা করে, তাই কাছাকাছি হলে যাত্রী তুলছেন তারা।

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ