টাঙ্গাইলে লকডাউনের তৃতীয় দিনে মানুষের সারা নেই

98

হাসান সিকদার ॥
টাঙ্গাইলে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত লকডাউনের তৃতীয় দিন বুধবার (৭ এপ্রিল) সাধারণ মানুষের সারা নেই। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের পরিদর্শন ও তৎপরতা চললেও লকডাউন কার্যকরে মানুষ মানছে না। তবে টাঙ্গাইল বাসটার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার কোন গাড়ি ছেড়ে যায়নি ও কোন গাড়ি শহরে প্রবেশও করেনি। মহাসড়কেও দূরপাল্লার কোন যানবাহন চলতে দেখা যায়নি।
সরেজমিনে টাঙ্গাইল শহরের পার্ক বাজার, বটতলা, সাবালিয়া, আমিন বাজার, ছয়আনি বাজার, বউ বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা প্রতিদিনের ন্যায় দোকান খুলে মালামাল কেনাবেঁচা করছে। কাঁচা বাজার ছাড়াও অন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও ক্রেতাদের উপচেপড়া ভির লক্ষ করা গেছে। ব্যবসায়ীরা টিনিউজকে জানায়, সামনে বৈশাখের পর পরই পবিত্র রমজান। এ সময়ে দোকানপাট বন্ধ রাখলে ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবনে তার ভয়াবহ প্রভাব পড়বে। এছাড়া অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে ব্যবসা-বাণিজ্যের বিকল্প নেই। প্রশাসনের পক্ষ থেকে লকডাউন বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করায় তারা ওই সময় দোকানপাট বন্ধ রাখলেও পর মুহূর্তেই খুলছেন। তারা নির্দিষ্ট সময় বেধে দিয়ে দোকানপাট বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়ার দাবি জানান।
ক্রেতারা টিনিউজকে জানায়, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতেই তারা বাজারে এসেছেন। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তারা মাস্ক ব্যবহার ও দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা করছেন। সরকার লকডাউনের ঘোষণা দেওয়ায় নি¤œআয়ের মানুষ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কাজ করতে না পারায় দিনমজুরদের অবস্থা ত্রাহি।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি টিনিউজকে জানান, সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার লকডাউন ঘোষণা করেছে। সাধারণ মানুষের সাময়িক অসুবিধা হলেও তা জীবনের চেয়ে বড় নয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলায় লকডাউন বাস্তবায়নে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া সর্বসাধারণকে তিনি সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান।

 

 

 

 

 

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ