টাঙ্গাইলে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ-বিএনপির দুই প্রার্থীই ধনী

287

pageফাহাদ শাওনঃ
টাঙ্গাইল পৌরসভায় মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের মধ্যে বেশি ধনী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও গরীব হলো ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থী। তবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই প্রার্থীই ধনী। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেয়া হলফনামায় এ তথ্য পাওয়া গেছে।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল হক সানু এলএলবি পাস। তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে একটি। বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন। তিনি কৃষি খাতে আয় দেখিয়েছেন এক লাখ ৪৯ হাজার টাকা। জমি বিক্রি করে পেয়েছেন ১১ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। তার নগদ টাকার পরিমান এক কোটি ১০ লাখ ৩ হাজার ২৯৭। ব্যাংকে জমা ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৫৯১ টাকা। শেয়ার রয়েছে দুই লাখ টাকার। স্বর্ন ৪০ ভরি। কৃষি খাতে ১০.২৬ একর, অকৃষি জমি ০.৩৬৮ একর। বাড়ি ১৪ শতাংশ।
আওয়ামী লীগ মনোনীত জামিলুর রহমান মিরন এইচএসসি পাস। তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে ১৬টি। সবগুলো বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলা ২০০৮ সালে দুনীর্তি দমন কমিশনের করা। নিজের নামে নগদ টাকা রয়েছে ৩৫ লাখ ২০ হাজার, স্ত্রীর নামে রয়েছে ৩১ লাখ ২১ হাজার ৪৩৪। ব্যাংকে জমা ৭ লাখ ৪১ হাজার। সঞ্চয়পত্র রয়েছে ১২ লাখ টাকার। স্বর্ন রয়েছে ৫০ ভরি। কৃষি জমি রয়েছে ৭৩ শতাংশ। অকৃষি জমি রয়েছে নিজের নামে ৩৩ শতাংশ ও স্ত্রীর নামে সাড়ে ১৬ শতাংশ।
ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল কাদের। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ার। পেশা ব্যবসা। তিনি আয় দেখিয়েছেন ব্যবসা হতে ২ লাখ ৮০ হাজার। নগদ আছে এক লাখ, ব্যাংকে জমা এক হাজার। কৃষি জমি ১৮ শতাংশ। ১৬শ’ বর্গফুটের একটি বাড়ি রয়েছে। তিনি উত্তরা ব্যাংকে লোন দেখিয়েছেন ১৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
খেলাফত মজলীশের মনোনীত প্রার্থী হাসনাত আল আমীন। তিনি বিএসএস পাস। তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে তিনটি। একটি বিচারাধীন। দু’টি আপোষ হয়েছে। তিনি ব্যবসা করেন। তার বাৎসরিক আয় ২ লাখ টাকা। নগদ রয়েছে ১ লাখ, ব্যাংকে জমা ২ লাখ। শহরে একটি দোকান রয়েছে। কৃষি জমি আছে ৭ বিঘা। অকৃষি জমি ৩ বিঘা। সাড়ে সাত শতাংশ জমির  উপর একটি বাড়ি রয়েছে।

ব্রেকিং নিউজঃ