টাঙ্গাইলে বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম ॥ ডাল চিনি পেঁয়াজ স্থিতিশীল

135

জাহিদ হাসান ॥
মোটা চালের দাম কিছুটা কমলেও বেড়েছে ভোজ্যতেলের। সরবরাহ বাড়ায় কমেছে শাক-সবজির দাম। আটা, ডাল, চিনি, পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। এছাড়া ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। স্থিতিশীল রয়েছে মাছ-মাংসের দাম।
টাঙ্গাইলের পার্ক বাজার, ছয়আনী বাজার ও বটতলা বাজার ঘুরে নিত্যপণ্যের দর দামের এসব তথ্য পাওয়া গেছে। গত কয়েক মাস ধরে উর্ধমুখী চালের বাজার। স্বর্ণা ও চায়না ইরি খ্যাত মোটা চাল এখন বছরের অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে শহরের খুচরা বাজারে। তবে টানা বেড়ে যাওয়া চালের দাম কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বর্তমান প্রতিকেজি মোটা চাল ৪৪-৪৮, সরু নাজির ও মিনিকেট ৫৮-৬২ এবং মাঝারি মানের পাইজাম ও লতা চাল ৫০-৫৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছয়আনী বাজারের চাল এজেন্সির স্বত্বাধিকারীরা টিনিউজকে জানান, সব ধরনের চালের দাম একটু কমেছে। তবে এই দামও অনেক বেশি। সরবরাহ বাড়লে দাম আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। দাম কমাতে সরকার বিভিন্ন দেশ থেকে চাল আমদানি শুরু করেছে। এসব চাল বাজারে এলে দাম কমে আসবে।
খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের ভোজ্যতেলের দাম। গত কয়েকমাস ধরে দাম বাড়লেও আর কমছে না। প্রতিলিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১১৬-১২০ পাঁচ লিটারের ক্যান ৬০০-৬৫০, সয়াবিন তেল বোতল একলিটার ১৩০-১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। বাজারে আটা খোলা প্রতিকেজি ৩০-৩২, আটা প্যাকেট ৩৩-৩৫, ময়দা প্যাকেট ৪০-৪৫, ডাল মসুর প্রতিকেজি ৬৫-১৪০, চিনি ৬৫-৭০, প্রতিডজন ডিম ৯০-১০০ এবং প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৪০-১৫০ এবং দেশী পেঁয়াজ ৩৫-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। আমদানিকৃত মোটা পেঁয়াজ ১৫-২৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
তবে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় শীতের সবজির দাম আরও কমেছে। পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। শসার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে। শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকা। এছাড়া মুলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা, বেগুনের কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপের কেজি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, গাঁজরের কেজি ১৫ থেকে ২৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের মতো ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা পিস। পার্ক বাজারের ব্যবসায়ী আলিম উদ্দিন টিনিউজকে বলেন, শীতের সবজি এখনও ভরপুর পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে ক্রেতারা কম দামে সবজি কিনতে পারছেন। আরও মাসখানেক হয়ত সবজির এমন দাম থাকবে। তারপর দাম বেড়ে যেতে পারে।

ব্রেকিং নিউজঃ