টাঙ্গাইলে প্রতি বছরই বাড়ছে পাটের আবাদ

82

স্টাফ রিপোর্টার ॥
বাজারে দাম ভাল পাওয়ায় টাঙ্গাইলে প্রতি বছরই বাড়ছে পাটের আবাদ। পাশাপাশি আমদানী নির্ভর পাটের বীজের উপর ভরসা না করে এসব চাষীরা নিজেরাই বীজ উৎপাদন করছেন। সামনে বীজ বোনার সময়। এই সময়টাতে বীজ শুকানো ও পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষীরা।
টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলাতেই পাটের আবাদ হয়। তবে সদর, কালিহাতী, মির্জাপুর ও নাগরপুরে পাটের আবাদ বেশি হয়। এক সময় প্রচুর পাটের আবাদ হতো জেলাতে। চাহিদা কমে যাওয়ায় দিন দিন পাটের আবাদ কমতে থাকে। তবে সম্প্রতি পাটজাত পণ্যের বহুমুখী ব্যবহারের কারণে এ পণ্যের চাহিদা বেড়ে চলেছে। ‘৯০-৯১ অর্থ বছরে টাঙ্গাইলে পাটের আবাদ হয়। গত বছর জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ২৪ হাজার ৮৪৩ মেট্রিক টন। চলতি মৌসুমে আবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে মেট্রিক টন। গত বছর সর্বোচ্চ ৬ হাজার টাকা মণ দরে পাট বিক্রি করে চাষীদের মধ্যে পাট আবাদের আগ্রহ আরও বেড়েছে।
পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হোসেন আলী খোন্দকার টিনিউজকে বলেন, সোনালী আঁশ পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে টাঙ্গাইলে কৃষকদের মাঝে নানা প্রণোদনা দিচ্ছে পাট অধিদপ্তর।
বস্ত্র ও পাট সচিব লোকমান হোসেন মিয়া টিনিউজকে বলেন, পাটের উন্নয়নে সরকারের নানা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। পরিবেশ বান্ধব পাটের আবাদ বাড়ানো সম্ভব হলে কৃষকরা যেমন লাভবান হবেন। অপরদিকে পাট রপ্তানী করে বৈদেশিক মূদ্রাও অর্জন সম্ভব হবে।

 

 

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ