টাঙ্গাইলে প্রচন্ড গরমে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ

119

স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইল জেলায় গত কয়েক দিনের প্রচন্ড গরমে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। এতে শিশু ও বৃদ্ধরা গরমে সবচেয়ে বেশি অস্থির হয়ে পড়েছেন। তীব্র তাপদাহের কারণে দিনের বেলায় লোকজনের চলাচল অন্য সময়ের চেয়ে অনেকটাই কম।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুলাই) দুপুরের তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত কয়েক দিনের চেয়ে বেশী তাপমাত্রা হওয়ায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। জেলা শহরে লোকজনের উপস্থিত ছিল অন্যান্য দিনের চেয়ে অনেক কম। তবে জরুরী কাজ ছাড়া লোকজন বাসা বাড়ি থেকে বের হতে দেখা যায়নি। প্রচন্ড গরমে ফলে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে বিভিন্ন রোগে।

পথচারীসহ সাধারণ মানুষ টিনিউজকে জানায়, গরমে ঘরে-বাইরে কোথাও স্বত্বি নেই। অতিষ্ট গরমে জনজীবন বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে। শ্রমজীবী মানুষ বাইরে বের হলেই অতিরিক্ত ঘামে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। ক্লান্তি দূর করতে কেউ পান করছেন ডাবের পানি, কেউবা খাচ্ছেন শসা, লেবুর শরবত। তাই প্রচন্ড গরমে, আনারস, ঠান্ডা পানি আর ডাবের বিক্রি বেড়ে গেছে। লাচ্ছি, জুস আর কোমল পানীয়ের ব্যবসাও বেশ জমজমাট। শহরের ফুটপাতে খোলা জায়গায় ঠান্ডা পানি, আনারস, ডাব বিক্রি করছেন অস্থায়ী ব্যবসায়ীরা। প্রচন্ড গরমের ফলে দিনমজুর মানুষকে পোহাতে হচ্ছে চরম দূর্ভোগ।

রিকশা চালক সিরাজুল ইসলাম টিনিউজকে বলেন, সকাল থেকে প্রচন্ড গরম পড়েছে। ফলে যাত্রীর সংখ্যা অন্যান্য দিনের চেয়ে অনেক কম। দিনমুজুর আলাল মিয়া টিনিউজকে বলেন, কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হই। কিন্তু যে গরম পড়ছে তাতে কাজ করার কোনো ভাবে সম্ভব নয়।

ডাক্তার মোখলেছুর রহমান উজ্জল টিনিউজকে বলেন, সুস্থ থাকতে হলে রাস্তার ধারে ফুটপাতে খোলা জায়গায় বিক্রি করা শসা, আনারস, লেবুর শরবতসহ এসব খাবার এড়িয়ে চলার পরার্মশ দেন। গরমে বাইরের খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। গরমে সবাইকে প্রচুর পানি পানের পরামর্শ দেন। ঘরের পরিবেশ যতটা সম্ভব ঠান্ডা রাখা গেলে জ্বর, ডায়রিয়া ও শ্বাসজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কম থাকবে বলে জানান এই চিকিৎসক।

 

ব্রেকিং নিউজঃ