টাঙ্গাইলে প্রচণ্ড গরমে হাঁসফাস করছেন মানুষ

88

বিভাস কৃষ্ণ চৌধুরী ॥
আষাঢ়ের শেষ সপ্তাহ থেকে টাঙ্গাইলে ব্যাপক তাপদাহ চলছে। এতে প্রচণ্ড গরমে হাঁসফাস করছেন মানুষ। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের। এতে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

আবহাওয়া অফিস সূত্র টিনিউজকে জানিয়েছে, এ তাপদাহ আরও দুই দিন থাকবে। তারপর তাপমাত্রা কমবে। শুক্রবার (১৫ জুলাই) টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মাথার ওপর সূর্য উত্তর পশ্চিমে হেলে পড়েছে। খালি চোখে সামনের দিকে তাকানো যায় না। এছাড়াও অনেক দিন মজুর গাছের নিচে বিশ্রাম নিচ্ছেন। কেউ বা একটু স্বস্তির জন্য মাথায় পানি ঢালছেন। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ১৪ কিলোমিটার যানজটে আটকে থাকা যাত্রীদের। কাউকে বাসে আবার খোলা ট্রাক পিকআপে বসে হাত পাখা দিয়ে বাতাস করতে দেখা গেছে।

টাঙ্গাইল শহরের কালিবাড়ি রোড, পূর্ব আদালত পাড়া এলাকায় কথা হয় তমা ভৌমিক বৃষ্টি সঙ্গে। তিনি টিনিউজকে বলেন, এক সপ্তাহ ধরে প্রচুর রোদ ও গরম। বাতাস তেমন নেই। মনে হচ্ছে রোদে শরীরের চামড়ার উপরের অংশ পুড়ে গেছে। গরমে কষ্ট হওয়ার কারণে কোন কিছুতেই শান্তি পাই না। দিনমজুর রশিদ মিয়া টিনিউজকে বলেন, রোদে ১০ মিনিট কাজ করলে ২০ মিনিট গাছের নিচে বসে থাকতে হয়। গরমের কারণে বসে থেকেও শান্তি নেই। কোথাও টিকতে পারছি না। পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়া এলাকার গৃহবধূ রোজিনা বেগম টিনিউজকে বলেন, প্রখর রোদের কারণে গরম বেশী। আর গরমে ঘরে বসে ফ্যানের নিচে থেকেও শান্তি নেই। বিদ্যুৎ চলে গেলে আমার তিন বছরের ছেলে ও ৭০ বছর বয়সী শ্বাশুড়ির খুব কষ্ট হয়।

এদিকে শুক্রবার (১৫ জুলাই) মহাসড়কের ভাবলা এলাকায় কথা হয় গাজীপুরগামী গৌতমের সঙ্গে। তিনি টিনিউজকে বলেন, দেড় ঘণ্টা ধরে আটকে আছি। রোদের গরম, সড়ক ও গাড়ির ইঞ্জিনের গরমে ভোগান্তি বেশি হচ্ছে। কেউ বা গাড়ি থেকে নেমে মাথায় পানি ঢালছে। বৃষ্টি হলে সবার জন্যই ভালো হবে।

টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিসের বজলুর রশিদ টিনিউজকে বলেন, দুই দিন ধরে টাঙ্গাইলের তাপমাত্রা ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আরও দুই দিন টাঙ্গাইলে এরকম রোদ থাকবে। এরপর স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

ব্রেকিং নিউজঃ