টাঙ্গাইলে পাহাড়ি অঞ্চলে করোলা আবাদে বেশি লাভজনক হচ্ছেন কৃষকরা

71

স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইলে পুষ্টিকর সবজি করোলার চাহিদা বেড়েছে কয়েকগুন। জেলার পাহাড়ি এলাকায় প্রায় সারা বছরই করোলার আবাদ হয়। চাহিদা বেশি থাকায় এবার ভাল দামও পাচ্ছেন কৃষকরা। তবে পোকার আক্রমণে ফলনে সমস্যা হচ্ছে। এসব করোলা চলে যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়। পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করা গেলে করোলা চাষে কৃষকরা ব্যাপক লাভবান হবেন বলে মনে করছেন তারা।




জানা যায়, চলতি মৌসুমে টাঙ্গাইল জেলায় প্রায় সাড়ে তিনশ’ হেক্টর জমিতে করোলার আবাদ হয়েছে। এ থেকে প্রায় ৪ হাজার মেট্রিকটন করোলা উৎপাদন হয়েছে। জেলায় করোলার আবাদ হলেও পাহাড়ি এলাকা ঘাটাইল, সখীপুর ও মধুপুর অঞ্চলে করোলার আবাদ বেশি এবং বানিজ্যিক ভিত্তিতে হয়ে থাকে। প্রতি কেজি করোলা পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে। বর্তমানে করোলার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় অন্যান্যবারের তুলনায় এবার লাভও বেশি পাচ্ছেন কৃষকরা। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এসব এলাকার করোলা বিক্রির জন্য চলে যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়। পাইকাররা ক্ষেত থেকেই করোলা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। তবে পোকার আক্রমণে দিশেহারা কৃষকরা। পোকা দমন করতে পারলে লাভ আরও বেশি পাবেন বলে আশা তাদের।




করোলা চাষীরা টিনিউজকে বলেন, টাঙ্গাইলের পাহাড়ি এলাকার মাটি করোলা আবাদের অত্যন্ত উপযোগী। সুষ্ঠ বাজার ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করা গেলে এসব এলাকায় ব্যাপকভাবে করোলার আবাদ করা সম্ভব বলে মনে করছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক আহসানুল বাসার টিনিউজকে বলেন, করোলা আবাদে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে পোকা দমনসহ নানা প্রযুক্তিগত সহায়তা দেয়া হচ্ছে। এ বছর করোলার দাম বেশি থাকায় চাষিরা করোলা চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন। তিতা জাতীয় ফসল আমাদের দেহের রক্তের জন্য খুবই উপকারী।

 

 

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ