টাঙ্গাইলে নামেই লকডাউন ॥ যানজট, মানুষের জট সর্বত্র

218

হাসান সিকদার ॥
করোনা সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়লেও লকডাউনে কারও তোয়াক্কা নেই। বাস, ট্রেন, লঞ্চ এবং বিমান ছাড়া সবকিছুই স্বাভাবিক। টাঙ্গাইলে বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) চতুর্থ দিনের লকডাউন ছিল আরও শিথিল। ব্যক্তিগত গাড়ি, রিক্সা, সিএনজিচালিত ও ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা এবং মোটরসাইকেল দাঁপিয়ে বেড়িয়েছে রাস্তাজুড়ে। টাঙ্গাইলে বাইরেও একই চিত্র। সড়ক-মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ছাড়া চলছে সবকিছুই। মালবাহী ট্রাক চলাচলের জন্য খুলে রাখা হয়েছে।
সরেজমিন টাঙ্গাইলের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রাইভেটকার, সিএনজিচালিত অটোরিক্সা, ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক, বিভিন্ন কোম্পানির পরিবহন গাড়ি, রিক্সা এবং মোটরসাইকেল দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে টাঙ্গাইলের রাস্তায়। হেঁটেও যাতায়াত করছে অসংখ্য মানুষ। এতে শহরজুরে যানজট এবং মানুষের জটও দেখা গেছে। যান চলাচলে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের তেমন তৎপরতাও দেখা যায়নি। ট্রাফিক বিভাগ বলছে, গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা কাজ করছেন। খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছাড়া যারা ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে বের হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হচ্ছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে ৪/৫ জনকে একটি সিএনজিতে শেয়ার করে গন্তব্যে পৌঁছতে দেখা গেছে। শহরের কিছু এলাকায় মাস্ক না পরার অভিযোগে বেশক’জনকে জরিমানা করা হয়। অনেকেই নানা অজুহাতে বিনা প্রযোজনে বাইরে বের হওযায় জরিমানা গুনেছেন।
লকডাউনের চতুর্থ দিনেও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল সীমাহীন। অটোরিক্সাগুলো প্রধান সড়ক থেকে যাত্রী নিয়ে বিভিন্ন গলিতে যাচ্ছে। সিএনজি চালক জামিল টিনিউজকে বলেন, সরকার লকডাউন ঘোষণা করলেও সড়কে যাত্রী কমেনি। আর বসে থাকলে তো কেউ ঘরে গিয়ে খাবার দিয়ে আসবে না। তাই সিএনজি নিয়ে বের হয়েছি। সিএনজি, ব্যক্তিগত গাড়িসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করলেও সেগুলো আটকাতে দেখা যায়নি। সড়কগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ব্যক্তিগত গাড়ি, রিক্সা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা দেখা গেছে। বেশিরভাগ সডকে তিন রাস্তা ও চৌরাস্তায় জ্যাম দেখা দেয়। এদিকে শিথিলতা থাকার পরও টাঙ্গাইলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সক্রিয় ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

 

 

 

 

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ