টাঙ্গাইলে তীব্র তাপদাহে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে জনজীবন

59

জাহিদ হাসান ॥
আষাঢ়-শ্রাবণ এই দুইমাস বর্ষাকাল। আষাঢ় শেষে শ্রাবনের আগমন ঘটলেও প্রকৃতি দেখে তা বোঝার উপায় নেই। বেশ কয়েকদিন হলো বৃষ্টির দেখা নেই। তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে টাঙ্গাইলের খেটে খাওয়া মানুষ। প্রচণ্ড খরায় মাঠের ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। গরমে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে জনজীবন। এই গরমে কর্মমুখী মানুষ পড়েছে মহা বিপদে। তীব্র তাপদাহের মধ্যেই বাঁচার তাগিদে তাদের বেড়িয়ে পড়তে হচ্ছে মাঠে-ময়দানে কাজের সন্ধানে। তপ্ত রোধ ও ভ্যাপসা গরমে দুমুঠো খাবারের জন্য কর্মে নামতে হচ্ছে তাদের।

এই তীব্র গরমে স্বাভাবিক কাজ করতে পারছেন না শ্রম ও কর্মজীবীরা। রিকশা-ভ্যানচালক থেকে শুরু করে দিন মজুররা। খোলা আকাশের নিচে তাদের কাজ করতে কষ্ট হচ্ছে। তীব্র তাপদাহ ও ভ্যাপসা গরম সহ্য না করতে পেরে শিশু ও বয়স্করা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। সোমবার (১৮ জুলাই) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বিরাজ করছে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অপরদিকে কয়েক দিনের ভ্যাপসা গরমে জ্বর, ঠাণ্ডা, পানিশূন্যতা ও ডায়রিয়াসহ গরমজনিত নানা রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গরম সহ্য করতে না পেরে ছিন্নমূল মানুষকে ছায়াঢাকা গাছের নিচে খালি জায়গায় শুয়ে আছে। সুযোগ পেলেই একটু প্রশান্তির আশায় মানুষ ছুঁটছে গাছের ছায়া কিংবা শীতল কোনো স্থানে। গরমের তীব্রতা সহ্য করতে না পেরে শিশুরা ও বয়স্করা ঘরের বাহিরে কম বের হচ্ছেন। ভ্যান চালক আব্দুস সামাদ টিনিউজকে জানান, এই রোদ ও গরমে ভ্যান চালাতে অনেক কষ্ট হয়। তাই মাঝে মাঝে ভ্যান নিয়ে গাছের ছায়ার নিচে বসে থাকি। গরমের কারণে শরিলে শক্তি পাইনা। সংসার চালাতে হবে তাই বসেও থাকতে পারি না। কাপড় ব্যবসায়ী রাব্বুল ইসলাম টিনিউজকে বলেন, গরমে তো অবস্থা একবারে খারাপ। তার উপর বেচাকেনাও কম। মানুষ কেমনে এই গরমে বাড়ি থাকি বের হইবে? ভ্যান চালক বাবুল মিয়া টিনিউজকে বলেন, আজকে যে রোদ পড়ছে সকাল থেকে ভ্যান চালাইয়া এখন আর কুলাইতেছে না শরীর। পেটের দায়ে ভ্যানে মালামাল টানি। দিন আইনা দিনে খাইতে হয়। কাম তো করাই লাগবে।

 

ব্রেকিং নিউজঃ