টাঙ্গাইলে চোখ ধাঁধানো কাশফুলে তরুনীরা ছবির ফ্রেমে

410

হাসান সিকদার ॥
বর্ষার গুড়গুড় শব্দের দিনের শেষে আসে শরৎ। শরৎ এর সাদা শুভ্রতা নিয়ে দিগন্ত জুড়ে চোখ ধাঁধানো কাশফুলের সমাহার। শ্বেত শুভ্রতার কাশফুলের হাতছানিতে বিমোহিত দর্শনার্থীরা। পথপ্রান্তরে দেখা মিলে কাশফুলের। যখনই পশ্চিম আকাশ হয়ে নিদ্রায় যেতে চাই সূর্যিমামা। নীল আকাশে ভেসে বেড়ায় শ্বেত মেঘের বেলা। শরতের সৌন্দর্যের উপমায় থাকে সাদা আকাশ আর শ্বেত রঙে মুগ্ধতা ছড়ানো কাশফুল।
এ রকম দৃশ্য চোখে পড়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও বঙ্গবন্ধু মহাসড়কের আশেকপুর বাইপাস থেকে ঘারিন্দা বাইপাস, এলাসিন ঘাটের পাড়ে, যমুনা ও ধলেশ্বরীসহ জেলার অন্যান্য নদনদীর তীর চরাঞ্চলগুলোতে চোখ জুড়িয়ে কাশফুলের সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে।




সরেজমিনে দেখা যায়, কাশফুলের মাঠে ছেলেমেয়েরা মেতে উঠেছে আনন্দ উচ্ছ্বাসে। নির্মল বাতাসে শুভ্র সাদা কাশফুলের মন মাতানো দোল খাওয়া শীষ দেখতে তরুন-তরুনীসহ বিভিন্ন বয়সের লোকজন বিকেলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন কাশবনে। কাশফুলের শুভ্রতার সৌন্দর্য্য উপভোগ করার পাশাপাশি ভ্রমণ ও প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের স্বাক্ষী হতে নিজেদের ধরে রাখছেন ছবির ফ্রেমে।

দর্শনার্থী তামান্না তানজিল শশী টিনিউজকে বলেন, গোধূলির সময় মাঠজুড়ে সবুজের সমারোহ ও সাদা কাশফুল যখন বাতাসে দোলতে থাকে তখন মনটা আনন্দে ভরে উঠে। শরৎকাল ভালো লাগে কাশফুলের জন্য। আশেপাশে যখন কাশফুল দেখি তখনই মনে হয় শরৎকাল চলে এসেছে। কাশবন গিয়ে মানুষ ছবি তুলতে গিয়ে সব নষ্ট করে ফেলে। গতবার এজন্য কাশফুল দেখতেও পারিনি। এবার ইচ্ছা ছিলো শুরুর দিকেই যাবো, সবাই নষ্ট করার আগে। তাই দেখছিলাম কোথায় কোথায় আছে। কয়েকদিন আগে ঢাকা থেকে আসার পথে টাঙ্গাইলের আশেকপুর বাইপাসে দেখলাম বেশকয়েকটা জায়গাতে আছে। গতবারের আফসোস আর এবার করতে চাইনি, তাই চলে গিয়েছিলাম কাশবনে। নিজেকেও ক্যামেরায় বন্দি করে রেখে দিলাম।




শরৎতের এই দৃশ্য কাছ থেকে দেখতে আসা তাপস সাহা, স্বপ্না আক্তার, জেসমিন আক্তার, প্রথমা আক্তার, মানবিকা চৌধুরীসহ অন্যান্যরা টিনিউজকে বলেন, কাশফুলের সমারোহে বিকেলের বাতাস যেন শীতের আগমনের বার্তা দিচ্ছে। শৈশবের স্মৃতিগুলোকেও স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। এই অপরূপ সৌন্দর্যের কাছে থাকতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। সাদা কাশফুল ও সবুজের পাশ দিয়ে চলার অনুভুতি অন্যরকম। এখানে ছবি তুলতে এসে কাশফুলের অপরূপ সৌন্দর্য্য দেখে মনটা ভরে গেছে।

 

ব্রেকিং নিউজঃ