টাঙ্গাইলে চোখ উঠা রোগের ড্রপ সংকট ॥ নেই অয়েনমেন্টও

146

স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইলে হঠাৎ করে বেড়েছে চোখ উঠা রোগীর সংখ্যা। কিন্তু সেভাবে রোগ প্রতিরোধ করতে পারছেন না। ফার্মেসিগুলোয় ড্রপ সংকট ও অয়েনমেন্ট না থাকায় ভুক্তভোগী রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে।
প্রতিবছর গ্রীষ্মে কনজাংটি ভাইটিস বা চোখ উঠা রোগের দেখা মিললেও এবার শরতে এর প্রভাব বেড়েছে। কারও কারও চোখের পাতা ফুলে লাল হয়ে যাচ্ছে। কারও চোখ থেকে অনবরত পানি ধরছে। কেউ কেউ আবার যন্ত্রণায় অস্থির।




এবার চোখ উঠা রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি টাঙ্গাইল সদর উপজেলায়। বয়স্ক থেকে শিশু- প্রতিদিন গড়ে ১০০-১৫০ জন চোখের প্রদাহ রোগের চিকিৎসা নিতে আসছেন টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে। আক্রান্তরা টিনিউজকে জানান, সরকারি হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে চোখের তেমন কোনো চিকিৎসা ব্যবস্থা না থাকায় বিপাকে পড়ছেন রোগীরা। তাই ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই বাইরের ফার্মেসি থেকে ড্রপ কিনে ব্যবহার করছেন তারা।




বিশেষজ্ঞরা টিনিউজকে জানান, চোখ ওঠা রোগটি মূলত ছোঁয়াচে ও ভাইরাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। কনজাংটিভাইটিস বা রেড/পিংক আইও বলা হয় এ রোগকে। আক্রান্তদের কারও কারও চোখ উঠা তিনদিনে ভালো হয়ে যায়। আবার অনেকের তিন সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লেগে যায়।
নাজমুল হোসেন নামে এক ব্যক্তি টিনিউজকে জানান, চোখের এ রোগের চিকিৎসায় সরকারি হাসপাতালে তেমন কোনো সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। তাই ফার্মেসি থেকে ড্রপ কিনতে গেলেও পাওয়া যাচ্ছে না। ড্রপ সংকট ও অয়েনমেন্ট না মেলায় ভুক্তভোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আকতার হোসেন নামে একজন টিনিউজকে বলেন, কোনো কোনো ফার্মেসিতে ড্রপ-অয়েনমেন্ট থাকলেও অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। কিছুদিন আগেও এই সব ড্রপ ৩০-৫০ টাকা পাওয়া গেলেও এখন ৬০-১৪০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

চিকিৎসকরা টিনিউজকে বলেন, এ সময় একটু সচেতন থাকলে ভয়ের কিছু নেই। কেউ আক্রান্ত হলে তাকে বাড়িতে থাকা উচিত। তবে বিশেষ প্রয়োজনে বাইরে গেলে চোখে কালো চশমা ব্যবহার করতে হবে।

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ